১৪ বিশ্ববিদ্যালয়ে আইএএস-ডব্লিউবিসিএস প্রতিনিধি, কর্মসমিতির বৈঠকে উচ্চশিক্ষা দপ্তরের বড় নির্দেশিকা

কলকাতা: রাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়গুলির পরিচালনায় প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ও সমন্বয় বাড়াতে বড় পদক্ষেপ নিল উচ্চশিক্ষা দপ্তর। রাজ্যের ১৪টি সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মসমিতি (EC) ও ইউনিভার্সিটি কোর্টে সরকারি প্রতিনিধি হিসেবে একাধিক আইএএস (IAS) ও ডব্লিউবিসিএস (WBCS) পদমর্যাদার আধিকারিককে নিয়োগ করা হয়েছে।
এর পাশাপাশি জারি করা হয়েছে একটি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশিকা। নির্দেশিকায় বলা হয়েছে—
- আগাম তথ্য প্রদান: বিশ্ববিদ্যালয়ের কোর্ট বা কর্মসমিতির বৈঠকে কী কী বিষয়ে আলোচনা করা হবে (Subject/Agenda), তা বৈঠকের আগেই উচ্চশিক্ষা দপ্তরের অতিরিক্ত মুখ্যসচিব এবং উচ্চ শিক্ষামন্ত্রীকে জানাতে হবে।
- পরামর্শ গ্রহণ: সরকারি প্রতিনিধিরা সমস্ত ক্ষেত্রে অতিরিক্ত মুখ্যসচিব ও শিক্ষামন্ত্রীর সাথে পরামর্শ করে পদক্ষেপ নেবেন।
- সংক্ষিপ্ত বিবরণ প্রেরণ: বৈঠকের চূড়ান্ত কার্যবিবরণী (Minutes) তৈরির জন্য অপেক্ষা না করে, আলোচিত বিষয়বস্তুর সংক্ষেপ বিবরণী দ্রুত পাঠাতে হবে।
যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে পদোন্নতি জট কাটার আশা: দীর্ঘদিন ধরে সরকারি প্রতিনিধি না থাকায় যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মসমিতির বৈঠক বন্ধ ছিল (সর্বশেষ বৈঠক হয়েছিল ৪ এপ্রিল)। বিকাশ ভবন থেকে যুগ্মসচিব আজ়ার জিয়া-কে প্রতিনিধি হিসেবে মনোনীত করার পর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আগামী ৬ আগস্ট বিকেল ৪টেয় ইসি-র বৈঠক ডেকেছে। গত ১৫ জুলাই প্রকাশিত রাজ্য সরকারের নির্দেশিকার আলোকেই এই বৈঠকে শিক্ষকদের পদোন্নতি সংক্রান্ত জটিলতা নিয়ে আলোচনা করা হবে।
অনান্য বিষয় ও বিশ্ববিদ্যালয়সমূহ: কলকাতা শহরের বাইরের বিশ্ববিদ্যালয়গুলির সুবিধার্থে শনিবার অথবা কাজের দিন অফিস ছুটির পর বৈঠক করার অনুরোধ করা হয়েছে।
যাদবপুর ছাড়াও যেসব বিশ্ববিদ্যালয় সরকারি প্রতিনিধি পেয়েছে, সেগুলি হলো— মৌলানা আবুল কালাম আজ়াদ প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (MAKAUT), রবীন্দ্রভারতী, কল্যাণী, কন্যাশ্রী, গৌড়বঙ্গ, পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় (বারাসাত), বাবা সাহেব আম্বেডকর এডুকেশন বিশ্ববিদ্যালয়, কাজী নজরুল, বাঁকুড়া, রানি রাসমণি গ্রিন ইউনিভার্সিটি, হিন্দি বিশ্ববিদ্যালয়, সিধো-কানহ-বীরসা এবং দার্জিলিং হিলস বিশ্ববিদ্যালয়।