দুর্নীতি রুখতে রাজ্য পুলিশের বড় চমক: ACB-তে মুরলীধর, আকাশ ও কামনাশিস সহ একাধিক দাপুটে অফিসার!

দুর্নীতি রুখতে রাজ্য পুলিশের বড় চমক: ACB-তে মুরলীধর, আকাশ ও কামনাশিস সহ একাধিক দাপুটে অফিসার!

রাজ্যে দুর্নীতি দমনে আরও বড় পদক্ষেপ নিল রাজ্য সরকার। অ্যান্টি-করাপশন ব্রাঞ্চকে (ACB) শক্তি বাড়িয়ে আরও সক্রিয় করতে বড়সড় রদবদল ঘটানো হলো। গোয়েন্দা বিভাগ থেকে সরাসরি দুর্নীতি দমন শাখায় পাঠানো হলো মুরলীধর শর্মা, আকাশ মাঘারিয়া এবং কামনাশিস সেনের মতো তিন দাপুটে আইপিএস (IPS) অফিসারকে।

পাশাপাশি, দুর্নীতির তদন্তের গতি বাড়াতে এবং ঝুলন্ত মামলাগুলির দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে রাজ্য পুলিশের আরও ১৬ জন অফিসার ও কর্মীকে সাময়িক বা অস্থায়ী ভাবে এসিবি-তে নিয়োগ করা হয়েছে।

সরকারি নির্দেশিকায় কী জানানো হয়েছে?

সোমবার রাজ্য সরকারের জারি করা নির্দেশিকা অনুযায়ী, এই ১৬ জন পুলিশকর্মীকে আগামী দু’মাসের জন্য এসিবি-তে ডেপুটেশনে পাঠানো হচ্ছে। ৪ আগস্ট সকাল ১০টার মধ্যেই তাঁদের নতুন দায়িত্ব সামলাতে অ্যান্টি-করাপশন ব্রাঞ্চে রিপোর্ট করতে বলা হয়েছে।

এই ১৬ জনের প্রতিনিধিদলে রয়েছেন:

  • ১ জন ডেপুটি পুলিশ সুপার (DSP)
  • একাধিক ইন্সপেক্টর, সাব-ইন্সপেক্টর এবং কনস্টেবল পদমর্যাদার কর্মীবৃন্দ।

যাঁদের নিয়ে আসা হয়েছে: এই আধিকারিকরা সিআইডি (CID), এসটিএফ (STF), ইন্টেলিজেন্স ব্রাঞ্চ (IB), ব্যারাকপুর পুলিশ কমিশনারেট, হাওড়া জিআরপি সহ পশ্চিম মেদিনীপুর, হুগলি গ্রামীণ, কৃষ্ণনগর ও সুন্দরবন পুলিশ জেলার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিভাগ থেকে নির্বাচিত হয়েছেন।

তালিকায় থাকা উল্লেখযোগ্য মুখগুলির মধ্যে রয়েছেন— ডিএসপি বিশ্বজিৎ পাত্র, ইন্সপেক্টর দীপঙ্কর সরকার, সৌমেন বিশ্বাস, সঞ্জয়কুমার মণ্ডল, প্রণবকান্তি সাহু, অনুপ ঘোষ, রামগোপাল পাল, সঞ্জয়কুমার দে, দেবাঞ্জন ভট্টাচার্য এবং সাব-ইন্সপেক্টর বাচ্চু মুরারি, জাহাঙ্গির আলি, বাপ্পা সরকার ও চারজন কনস্টেবল।

অভিজ্ঞ মহলের মতে, বিভিন্ন শাখা থেকে বেছে বেছে অভিজ্ঞ ও দক্ষ আধিকারিকদের এনে এসিবি-কে শক্তিশালী করাই সরকারের মূল উদ্দেশ্য, যাতে তদন্ত প্রক্রিয়ায় গতি আসে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *