কালীঘাটে তৃণমূল কার্যালয় ভাঙচুর: ‘বিজেপির গুন্ডামি’ বনাম ‘বেআইনি দখলদারির বিরুদ্ধে পুরসভা’, তুঙ্গে রাজনৈতিক চাপানউতোর!

কালীঘাট: দক্ষিণ কলকাতার কালীঘাটে বিদায়ী তৃণমূল কাউন্সিলর প্রবীর মুখোপাধ্যায়ের কার্যালয় ভাঙচুরকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত রাজ্য রাজনীতি। ঘটনাকে ঘিরে তৃণমূল ও বিজেপির মধ্যে শুরু হয়েছে তীব্র কাদা ছোড়াছুড়ি।
সোশ্যাল মিডিয়ায় সরব হয়ে বেলেঘাটার তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষ অভিযোগ করেন, ৮৩ নম্বর ওয়ার্ডের সদানন্দ রোডে বিদায়ী পুরপিতার কার্যালয়ে বিজেপির দুষ্কৃতীরা আচমকা হামলা চালায়, ভাঙচুর চালায় এবং তা দখলের চেষ্টা করে। ঘটনার খবর পেয়েই শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় ও বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায়ের মতো শীর্ষ তৃণমূল নেতারা ঘটনাস্থলে পৌঁছান। কালীঘাটের মতো জনবহুল এলাকায় এই ঘটনায় রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা নিয়ে প্রশ্ন তুলে পুলিশে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে শাসকদল।
তবে এই সমস্ত অভিযোগ এক ফুঁয়ে উড়িয়ে দিয়েছে রাজ্য বিজেপি। কুণাল ঘোষের দাবিকে ‘ভিত্তিহীন ও বিদ্বেষপ্রসূত’ আখ্যা দিয়ে বিজেপির প্রধান মুখপাত্র দেবজিৎ সরকার স্পষ্ট জানান, এই ঘটনার সঙ্গে বিজেপির কোনো সম্পর্ক নেই। পালটা প্রমাণ হিসেবে কলকাতা পৌরনিগমের একটি সরকারি নোটিস প্রকাশ করে তিনি দাবি করেন, ৪২, সদানন্দ রোডের ওই সম্পত্তি এবং সংলগ্ন ফুটপাত বহু বছর ধরে বেআইনিভাবে দখল করে রেখেছিল তৃণমূল। বৈধ মালিকের অভিযোগের ভিত্তিতে পৌরনিগম আইন মেনেই সম্পূর্ণ প্রশাসনিকভাবে ওই অননুমোদিত কাঠামো উচ্ছেদ করা হয়েছে। জোর করে বিষয়টিতে রাজনৈতিক রঙ চড়ানোর চেষ্টা চলছে বলেই তোপ দাগে গেরুয়া শিবির।