গুন্ডাগিরি ও তোলাবাজিতে ‘জিরো টলারেন্স’! শিল্পপতিদের বাংলায় বড় বার্তা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর
পশ্চিমবঙ্গকে দেশ-বিদেশের শিল্পপতিদের কাছে একটি আদর্শ বিনিয়োগবান্ধব রাজ্য হিসেবে গড়ে তোলাই এখন বঙ্গ-বিজেপি ও রাজ্য সরকারের প্রধান লক্ষ্য। বিগত জমানার তোলাবাজি, সিন্ডিকেটরাজ ও কাটমানির কালচার মুছে ফেলতে একযোগে মাঠে নেমেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এবং বিজেপি রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য।
বৃহস্পতিবার সল্টলেকের মিলন মেলা প্রাঙ্গণে বস্ত্রশিল্প মেলায় যোগ দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী কড়া বার্তা দিয়ে বলেন, “শিল্পের জন্য সবার আগে রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা ঠিক করতে হবে। গুন্ডাগিরি ও কাটমানির পরিবেশ বদলে আমরা বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরি করছি।” তিনি শিল্পপতিদের আশ্বস্ত করে জানান, আগামী এক মাসের মধ্যে অন্তত ২৫ জন বিনিয়োগকারীকে জমি দেবে রাজ্য সরকার এবং প্রয়োজন হলে বিধানসভায় আইন পরিবর্তনও করা হবে।
তোলাবাজির বিরুদ্ধে দলীয় স্তরেও কড়া অবস্থান নিয়েছে বিজেপি। শমীক ভট্টাচার্য স্পষ্ট জানিয়েছেন, দল বা সরকারের কারও বিরুদ্ধে কাটমানি বা তোলা আদায়ের অভিযোগ উঠলে তাঁকে বিন্দুমাত্র রেয়াত করা হবে না। ইতিমধ্যে সল্টলেকে দুই কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক সুনীল বনসল ও অমিত মালব্যের উপস্থিতিতে এক রুদ্ধদ্বার বৈঠক হয়, যেখানে বারাসাত ও উত্তর কলকাতা সাংগঠনিক জেলার নেতাদের কড়া হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।
শুধু রাজ্য সরকার নয়, বাংলাকে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী নিজে উদ্যোগী হয়েছেন। শুভেন্দু অধিকারী জানান, প্রধানমন্ত্রী কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের দ্রুত বাংলায় গিয়ে কাজ করার নির্দেশ দিয়েছেন। চলতি মাসের শেষেই কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন রাজ্য সফরে আসতে পারেন। রাজ্য সরকারের এই কঠোর মনোভাবকে স্বাগত জানিয়েছেন বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ও।