“ধর্মীয় স্বাধীনতা নিয়ে আপস নয়!” মাইক ইস্যুতে এবার হাই কোর্টে যাওয়ার পথে ঋতব্রত

রাজ্য দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদের পুরনো নির্দেশিকা মেনে একাধিক মসজিদ থেকে মাইক খোলার প্রক্রিয়া শুরু হতেই রাজ্য রাজনীতি উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। সংখ্যালঘু জনপ্রতিনিধিদের একাংশের অভিযোগ, একটি নির্দিষ্ট ধর্মকে নিশানা করতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। এবার এই বিতর্কের জল গড়াতে চলেছে আদালতেও।
শুক্রবার বিধানসভায় বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় ও বিরোধীদলের মুখ্য সচেতক আখরুজ্জামান সহ ‘আসল’ তৃণমূলের প্রায় ১৬ জন বিধায়ক মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে বসেন। বৈঠক শেষে ঋতব্রত জানান, ধর্মীয় অনুভূতি মানুষের জীবনধারণের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে রয়েছে। তারা এই বিষয়টি মুখ্যমন্ত্রীকে জানিয়েছেন এবং আইনজীবীদের সাথে পরামর্শ করে আগামী সপ্তাহের মধ্যেই কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হবেন।
উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবারই এনসিপিআই-এর তিন সংখ্যালঘু সাংসদ (আবু তাহের, খলিলুর রহমান ও ইউসুফ পাঠান) দিল্লিতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে এই মাইক ইস্যুতে দরবার করেছিলেন। তাঁদের স্পষ্ট বক্তব্য ছিল—শব্দদূষণ আইনের নামে যেন কেবল একটি নির্দিষ্ট ধর্মকে টার্গেট না করা হয়, আইন যেন সব ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে সমানভাবে প্রযোজ্য হয়।
এদিনের বৈঠকে মাইক বিতর্ক ছাড়াও ‘ডিলিমিটেশন’ ও অনুপ্রবেশ ইস্যু নিয়েও কথা হয়। ঋতব্রত জানান, অনুপ্রবেশকারীদের প্রতি তাঁদের কোনো সহানুভূতি নেই এবং তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হোক। কিন্তু ধর্মের ভিত্তিতে দেশের কোনো বৈধ নাগরিকের অধিকার যেন হরণ না করা হয়, সে বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে হস্তক্ষেপ করার আর্জি জানান তিনি।