ডেডলাইন বেঁধে দিল কেন্দ্র! মেটার ওপর কড়া নজরদারির প্রস্তুতি, এবার কি বদলাবে ফেসবুক-ইনস্টাগ্রামের চালচিত্র?
.jpg.webp?w=1200&resize=1200,800&ssl=1)
ডিপফেক, প্রোপাগান্ডা এবং বিভ্রান্তিকর তথ্যের বাড়বাড়ন্তে আর কোনও অজুহাত শুনতে নারাজ কেন্দ্র। সোশ্যাল মিডিয়া জায়ান্ট মেটাকে এবার সরাসরি অ্যালগোরিদম বদলানোর নির্দেশ দিয়েছে ভারতের ইলেকট্রনিক্স ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রক। সেই সঙ্গে প্ল্যাটফর্ম থেকে কীভাবে বেআইনি ও বিকৃত কনটেন্ট পুরোপুরি সরানো হবে, তার একটি বিস্তারিত কমপ্লায়েন্স রোডম্যাপ জমা দেওয়ার কড়া নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সাম্প্রতিক এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকের পর টেক জায়ান্টটিকে একাধিক শর্ত মেনে চলার কথা বলা হয়। ডিপফেক ও ভুয়ো খবর দ্রুত সনাক্ত করতে অ্যালগোরিদম নতুন করে সাজানো এবং সরকারি বা অনুমোদিত সংস্থা কোনও কন্টেন্ট চিহ্নিত করলে তা দ্রুত সরিয়ে ফেলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, ভারতের তথ্য স্থানীয়করণ সংক্রান্ত নিয়ম কঠোরভাবে মেনে চলা এবং সরকারের কুইক রেসপন্স টিমের সঙ্গে সমন্বিতভাবে কাজ করতে বলা হয়েছে।
এই কড়া অবস্থানের পিছনে রয়েছে সম্প্রতি ঘটে যাওয়া একটি নজিরবিহীন ঘটনা। ভারতের তরুণ প্রজন্মের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর করা একটি ফেসবুক পোস্ট হঠাৎ করেই প্ল্যাটফর্ম থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে মেটার পক্ষ থেকে এটিকে কারিগরি ত্রুটি হিসেবে ব্যাখ্যা করা হলেও, তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রক এই ব্যাখ্যাকে অপর্যাপ্ত ও অসন্তোষজনক বলে মনে করে। এর পরেই মেটার শীর্ষ কর্মকর্তাদের তলব করা হয় এবং সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলোতে কড়া নজরদারির বার্তা দেওয়া হয়। বৈঠকে মেটার প্রযুক্তিগত দল বর্তমান কনটেন্ট ফিল্টারিং ব্যবস্থার সীমাবদ্ধতা মেনে নিলেও, মেটা ভারতের আইটি আইনের মধ্যস্থতাকারী নিয়মাবলী সঠিকভাবে মেনে চলছে কি না তা খতিয়ে দেখছে কেন্দ্র। প্রাপ্ত রিপোর্টের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়ে বিশেষজ্ঞ মতামত চাওয়া হয়েছে এবং সব উদ্বেগের নিরসন না হওয়া পর্যন্ত সরকারের এই কড়া নজরদারি জারি থাকবে।