রাজনৈতিক সভা-মিছিলের অনুমতি নিয়ে শেষ মুহূর্তের নাটক! রাজ্যের ভূমিকায় ক্ষুব্ধ হাইকোর্ট

রাজনৈতিক ও গণতান্ত্রিক কর্মসূচির অনুমতি দেওয়া নিয়ে রাজ্য সরকারের শেষ মুহূর্তের টালবাহানা এবং প্রশাসনিক পদ্ধতির কড়া সমালোচনা করল কলকাতা হাইকোর্ট। অহেতুক দেরিতে অনুমতি খারিজ করার ফলে আদালতের মূল্যবান সময় নষ্ট হচ্ছে এবং বাধ্য হয়েই সপ্তাহান্তে জরুরি শুনানিতে বসতে হচ্ছে বলে কড়া প্রতিক্রিয়া জানান বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য। প্রশাসনের উদ্দেশে আদালতের স্পষ্ট বার্তা, শেষ মুহূর্তের সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দিয়ে বার বার আদালতকে আপৎকালীন পরিস্থিতিতে ফেলা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। বিচারপতির প্রশ্ন, ৩ অগস্টের একটি সভার আবেদনের উত্তর কেন ৭ অগস্ট রাতে দেওয়া হবে?
শুনানিতে রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল আবেদনকারীদের তথ্য গোপন ও জনভোগান্তির যুক্তি দিয়ে প্রশাসনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করার চেষ্টা করলেও তা মানতে নারাজ আদালত। গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগের আর্জি সামলাতে গিয়ে এমন প্রশাসনিক অনীহা ও বিলম্বিত পদক্ষেপের কারণ নিয়ে তীব্র আপত্তি তুলেছে বিচারপতির একক বেঞ্চ। হাইকোর্টের সাফ বার্তা, রাজনৈতিক কর্মসূচির অনুমতি প্রদানে স্বচ্ছতা ও সময়ানুবর্তিতা বজায় রাখা প্রশাসনেরই মূল দায়িত্ব, যাতে সাধারণ মানুষকে কিংবা আদালতকে অপ্রয়োজনীয় ভোগান্তিতে পড়তে না হয়।