ঝাড়খণ্ডের খামখেয়ালিপনায় ইতি! বাংলায় কি তবে পাকাপাকিভাবে ঘুচছে বানভাসি দশা?
কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র সচিব গোবিন্দ মোহনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে ঝাড়খণ্ড থেকে অনিয়ন্ত্রিত জল ছাড়ার দীর্ঘদিনের জটিলতায় আইনি ও প্রশাসনিক রাশ টানা হয়েছে। ঐতিহাসিক এই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এখন থেকে তেনুঘাট ও ময়ূরাক্ষী-২ ব্যারাজকে দামোদর ভ্যালি রিজ়ার্ভার রেগুলেশন কমিটির (ডিভিআরআরসি) কঠোর নিয়ন্ত্রাধীনে আনা হচ্ছে। ফলস্বরূপ, এই জলাধারগুলি থেকে জল ছাড়ার আগে কেন্দ্র এবং পশ্চিমবঙ্গ ও ঝাড়খণ্ড সরকারের যৌথ অনুমোদন বা আগাম জানানো বাধ্যতামূলক করা হয়েছে, যা দক্ষিণবঙ্গের বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।
এই সংকট স্থায়ীভাবে এড়াতে বৈঠকে তিনটি বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ নিশ্চিত করা হয়েছে। প্রথমত, জল ছাড়ার প্রক্রিয়ায় পূর্ণ স্বচ্ছতা আনা এবং দ্বিতীয়ত, তেনুঘাটের জলধারণ ক্ষমতা বাড়াতে সংলগ্ন এলাকার বেআইনি দখলদারি অবিলম্বে উচ্ছেদ করা। পাশাপাশি, ঝাড়খণ্ড সরকার নিজস্ব অর্থায়নে বেলপাহাড়িতে একটি নতুন ব্যারাজ নির্মাণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর ফলে একদিকে যেমন ঝাড়খণ্ডের সেচের চাহিদা মিটবে, তেমনই তেনুঘাট থেকে সরাসরি পাঞ্চেতে অতিরিক্ত জলের ঢল নামার চিরকালীন ঝুঁকিও অনেকাংশে প্রশমিত হবে বলে মনে করা হচ্ছে।