অন্ধকার নামলেই বাতাসে ভেসে আসে নূপুরের শব্দ আর আর্তনাদ! বাংলার এই ৩ রহস্যময় ‘ভূতুড়ে’ গ্রামে যাওয়ার সাহস আছে?

পশ্চিমবঙ্গের বুকজুড়ে ছড়িয়ে থাকা কিছু জনপদ কেবল ভৌগোলিক সীমান্ত নয়, বরং অতীত ও অলৌকিকতার এক গা ছমছমে মিলনে পরিণত হয়েছে। তেমনই এক স্থান বাঁকুড়ার ‘চালিবাড়িরডিহি’, যা মহামারির অভিশাপ আর শিশুহত্যার ঘটনায় আজ জনশূন্য হয়ে দাঁড়িয়েছে; যেখানে লক্ষ্মণ বাউরির পরিবার ছাড়া আর কেউ বাস করে না এবং গভীর রাতে নেমে আসে অচেনা ছায়াশরীরদের আনাগোনা। অন্যদিকে, বীরভূমের ঐতিহ্যবাহী সতীপীঠ কঙ্কালীতলা সংলগ্ন কোপাই নদীর পাড় ও শ্মশান এলাকায় রাত বাড়লেই দেখা মেলে অস্পষ্ট ভয়াল অবয়বের, ভেসে আসে অদেখা নূপুরের ঝিনিঝিনি শব্দ যা আজও শিহরিত করে অনুসন্ধানী পর্যটকদের।
এছাড়াও, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমানের সীমান্তবর্তী বেগমপুর এবং কালনার শতবর্ষ প্রাচীন পরিত্যক্ত নীলকুঠিগুলোকে ঘিরে স্থানীয় মানুষের মধ্যে চরম আতঙ্ক বিরাজ করে। প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী, ব্রিটিশ আমলে নিগৃহীত প্রজাদের অতৃপ্ত আত্মার কান্নার শব্দ ও আর্তনাদ আজও অমাবস্যার রাতে কুঠিরের জীর্ণ দেওয়াল থেকে ভেসে আসে। ভয় আর রোমাঞ্চের এই মেলবন্ধন বাস্তব কিংবা নিছক বিশ্বাস যা-ই হোক না কেন, পরলোকের রহস্য অনুসন্ধান করতে চাওয়া দুর্ধর্ষ পর্যটকদের জন্য এই স্থানগুলো এক টানটান রোমাঞ্চের সৃষ্টি করে।