‘দু’নৌকায় পা দিই না, লাথি মারতে জানি!’ ঋত-তৃণমূলের মঞ্চে কুণালের ঝাঁজালো মন্তব্য ঘিরে তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি!

‘দু’নৌকায় পা দিই না, লাথি মারতে জানি!’ ঋত-তৃণমূলের মঞ্চে কুণালের ঝাঁজালো মন্তব্য ঘিরে তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি!

৮০তম স্বাধীনতা দিবসে রাজ্য রাজনীতিতে দেখা গেল এক অভিনব ও নাটকীয় দৃশ্য। প্রথমে দলের নির্দেশে তপসিয়ার তৃণমূল ভবনে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন মমতাপন্থী তৃণমূল নেতা ও বেলেঘাটার বিধায়ক কুণাল ঘোষ। কিন্তু সেই কর্মসূচি সেরে ফেরার পথেই তিনি আচমকা পৌঁছে যান ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় শিবিরের স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে, যা তাঁর নিজের বিধানসভা এলাকা মেট্রোপলিটনের কাছেই আয়োজিত হয়েছিল।

সেখানে উপস্থিত ছিলেন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, অরূপ রায়, বিপ্লব মিত্রের মতো নেতৃবৃন্দ, যাঁরা বিধানসভা নির্বাচনের পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পথ থেকে সরে এসে ঋতব্রতের নেতৃত্বাধীন শিবিরে যোগ দিয়েছেন। চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যের অনুরোধে কুণাল ঘোষ সেই মঞ্চে সংক্ষিপ্ত ভাষণও দেন। হঠাৎ কুণালের সেখানে উপস্থিতি ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে জল্পনা শুরু হয়—তবে কি কুণালও এবার শিবির বদল করছেন?

তবে দলবদলের জল্পনা পুরোপুরি উড়িয়ে দিয়েছেন কুণাল ঘোষ নিজেই। তিনি জানান, নিজের এলাকায় দলীয় নাম ব্যবহার করে অনুষ্ঠান হতে দেখে এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম মুছে ফেলার চেষ্টার প্রতিবাদ করতেই তিনি সেখানে গিয়েছিলেন। কুণাল বলেন, “ওঁদের ডেরায় দাঁড়িয়ে বাঘের বাচ্চার মতো মমতাদির নাম বলে এসেছি। কুণাল ঘোষ দু’নৌকায় পা দিয়ে চলে না; একটা পা দিয়ে সোজা দাঁড়ায়, আর অন্য পা-টা লাথি মারতে ব্যবহার করে।” বক্তব্য রাখার সময় তিনি অনন্ত মহারাজের গ্রেফতারির দাবিও তুলে আসেন।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *