পেনাল্টি সেভ থেকে টাইব্রেকার থ্রিলার, দিল্লিতে আটকে ৩ বার পোস্টে লেগেও ডুরান্ড ফাইনালে ইস্টবেঙ্গল!

একঝাঁক গোল মিস আর ৩ বার পোস্টে বল লাগার রোমাঞ্চকর নাটকীয়তা কাটিয়ে ডুরান্ড কাপের ফাইনালে প্রবেশ করল ইস্টবেঙ্গল। সেমিফাইনালে প্রতিপক্ষ এসসি দিল্লির বিরুদ্ধে নির্ধারিত ৯০ মিনিটের হাড্ডাহাড্ডি লড়াই গোলশূন্যভাবে শেষ হয়। ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণে এগিয়ে থাকা লাল-হলুদ ব্রিগেড একাধিক সহজ সুযোগ নষ্ট করে। অন্যদিকে প্রথমার্ধে বক্সে ফাউলের দরুন দিল্লি পেনাল্টি পেলেও ইস্টবেঙ্গলের ত্রাণকর্তা হয়ে ওঠেন গোলরক্ষক প্রভসুখন সিং গিল। ডানদিকে দুর্দান্ত ঝাঁপিয়ে রদ্রিগোর সেই পেনাল্টি রুখে দিয়ে দলকে ম্যাচে টিকিয়ে রাখেন তিনি। পিভি বিষ্ণুর অনুপস্থিতিতে বিপিন, জেসিনদের আক্রমণ সত্ত্বেও গোল অধরাই থেকে যায় হাবাস বাহিনীর।
নির্ধারিত সময়ে গোল না হওয়ায় ম্যাচের মীমাংসা গড়ায় ভাগ্যনির্ধারক টাইব্রেকারে। স্নায়ুচাপের এই কঠিন পরীক্ষায় চূড়ান্ত পেশাদারিত্ব দেখিয়ে জয় ছিনিয়ে নেয় ইস্টবেঙ্গল। টাইব্রেকারে লাল-হলুদের হয়ে আনোয়ার আলি, রোহিত দানু, লালচুংনুঙ্গা, ক্রিস ইকোনোমিডিস ও রশিদ পাঁচজনেই নিখুঁত শটে বল জালে জড়িয়ে দেন। পক্ষান্তরে, এসসি দিল্লির জুয়ান পেনার শট অসামান্য দক্ষতায় রুখে দিয়ে দলকে ৫-৩ ব্যবধানে জয় এনে দেন গিল। ২০২৩ সালের পর আবারও মর্যাদাপূর্ণ ডুরান্ড কাপের ফাইনালে উঠল লাল-হলুদ। তবে ফাইনালের আগে ৯০ মিনিটে এমন ভুরি ভুরি গোল নষ্টের প্রদর্শন নিশ্চিতভাবেই চিন্তায় রাখবে দলের কোচকে।