যাদবপুর কাণ্ড: ৩৭ ঘণ্টা পর পুলিশের হাতে CCTV, তদন্ত কমিটির শীর্ষে প্রাক্তন বিচারপতি!

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি স্টুডেন্টস ইউনিয়ন (FETSU)-এর সাধারণ সভাকে কেন্দ্র করে সম্প্রতি ক্যাম্পাস উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। দু’পক্ষের সংঘর্ষে বেশ কয়েকজন আহত হন। এর প্রতিবাদে এসএফআই (SFI) যাদবপুর এইটবি বাসস্ট্যান্ডে এবং এবিভিপি (ABVP) মারধরের অভিযোগে যাদবপুর থানার সামনে পাল্টা জমায়েতের ডাক দেয়।
ঘটনার প্রায় ৩৭ ঘণ্টা পর উপাচার্য ইমেলের মাধ্যমে যাদবপুর থানায় লিখিত অভিযোগ জানান। তিনি ক্যাম্পাসে ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ ও ছাত্রাবাসে হামলার সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানানোর পাশাপাশি সিসিটিভি ফুটেজ পুলিশের হাতে তুলে দেওয়ার আশ্বাস দেন। অভিযোগ দায়েরের তিন দিন পর সোমবার রাতে পুলিশ অবশেষে ক্যাম্পাসের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে।
অন্যদিকে, বিশ্ববিদ্যালয়ের তদন্ত কমিটির কার্যক্রম শুরুতে বিলম্ব ঘটে। প্রথমে নেতাজি সুভাষ মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন উপাচার্য অধ্যাপক শুভশঙ্কর সরকারের নাম চেয়ারম্যান হিসেবে প্রস্তাব করা হলেও, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তিনি দায়িত্ব নিতে অস্বীকৃতি জানান। পরবর্তীতে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ হাইকোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি প্রণবকুমার চট্টোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে নতুন তদন্ত কমিটি গঠনের ঘোষণা দেয়। আগামী ২৭ আগস্ট এই কমিটির প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
ক্যাম্পাসে শান্তি ফেরাতে উপাচার্য চিরঞ্জীব ভট্টাচার্য, সহ-উপাচার্য অমিতাভ দত্ত এবং ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার সেলিবক্স মণ্ডল সব পক্ষকে নিয়ে একটি বৈঠকের আয়োজন করেছিলেন। তবে দক্ষিণপন্থী ছাত্র ও শিক্ষক প্রতিনিধিরা বৈঠক শেষ হওয়ার আগেই কক্ষ ত্যাগ করেন।