সঙ্গীর সব দায়িত্ব সামলাতে গিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? অজান্তেই এই ফাঁদে পড়েননি তো!

প্রেমে জড়িয়ে কি মনে হচ্ছে প্রেমিকা নন, বরং সঙ্গীর থেরাপিস্ট, মা বা সেক্রেটারি হয়ে গেছেন? সঙ্গীর মানসিক চাপ সামলানো, বন্ধুদের জন্মদিন মনে করিয়ে দেওয়া কিংবা তার মন খারাপের একমাত্র সঙ্গী হওয়া—সব দায়িত্ব যদি আপনার একা ঘাড়েই এসে পড়ে, তবে সাবধান! স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটির গবেষকদের মতে, পুরুষদের মধ্যে ঘনিষ্ঠ বন্ধুত্বের ঘাটতি থাকায় মহিলারা অজান্তেই এক অদৃশ্য মানসিক পরিশ্রমের শিকার হচ্ছেন, যার পোশাকি নাম ‘Mankeeping’। আমেরিকায় প্রতি পাঁচজন পুরুষের মধ্যে একজনের কোনো ঘনিষ্ঠ বন্ধু না থাকায় তারা আবেগগতভাবে সম্পূর্ণভাবে সঙ্গীর ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েন।
এই একতরফা দায়িত্ব সামলাতে গিয়ে নারীরা প্রায়শই অতিরিক্ত মানসিক ক্লান্তি ও বিরক্তির শিকার হন। সঙ্গী নিজের আবেগ সামলাতে না পেরে সবকিছুর জন্য আপনার ওপর নির্ভর করলে তা সম্পর্কের ভারসাম্য নষ্ট করে দেয়। মনোবিদদের মতে, এই সমস্যা থেকে বেরিয়ে আসতে হলে খোলামেলা কথা বলা জরুরি। সঙ্গীকে তার নিজের আবেগ নিজে সামলাতে এবং নিজস্ব বন্ধু বৃত্ত তৈরি করতে উৎসাহিত করুন, কারণ সুস্থ সম্পর্ক মানে একে অপরের পাশে থাকা, কারও মা বা থেরাপিস্ট হয়ে যাওয়া নয়।