“পুরনো মামলায় ফাঁসানো হচ্ছে কর্মীদের”, পুলিশি নিষ্ক্রিয়তা ও নিয়মভঙ্গের নালিশ ঘাসফুল শিবিরের

“পুরনো মামলায় ফাঁসানো হচ্ছে কর্মীদের”, পুলিশি নিষ্ক্রিয়তা ও নিয়মভঙ্গের নালিশ ঘাসফুল শিবিরের

পশ্চিমবঙ্গে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে পুলিশি ক্ষমতার অপব্যবহার করা হচ্ছে—এই মর্মে সুর চড়ালো তৃণমূল কংগ্রেস। বুধবার এক সাংবাদিক বৈঠকে তৃণমূলের রাজ্যসভার ডেপুটি লিডার সাগরিকা ঘোষ অভিযোগ করেন, পুলিশ আইন ও সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ উপেক্ষা করে কাজ করছে। তাঁর দাবি, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া FIR সঠিকভাবে অনলাইনে আপলোড করা হচ্ছে না, এবং অনলাইনে যা দেওয়া হচ্ছে তাও স্পষ্ট নয়। ফলে অভিযুক্তরা নিজেদের বিরুদ্ধে থাকা অভিযোগ সম্পর্কে জানতে পারছেন না।

অধিকন্তু, ভারতীয় ন্যায় সংহিতা অনুযায়ী সাত বছরের কম সাজাযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে গ্রেফতারের আগে বাধ্যতামূলক নোটিস দেওয়ার যে নিয়ম রয়েছে, তাও মানা হচ্ছে না বলে জানান তিনি। তৃণমূল নেত্রীর অভিযোগ, ২০১৮ ও ২০১৯ সালের পুরনো ঘটনা টেনে এনে নতুন করে মামলা দায়ের করে দলীয় কর্মী-সমর্থকদের নিশানা করা হচ্ছে। এটি তৃণমূল কর্মীদের বিরুদ্ধে একটি সুপরিকল্পিত রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র।

ঘটনা প্রসঙ্গে তিনি কলকাতার রাজ্যসভার সাংসদ ডেরেক ও’ব্রায়েনকে পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদের বিষয়টিও তুলে ধরেন। তাঁর দাবি, ওই প্রবীণ সাংসদকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেওয়ার পর উল্টে তাঁর বিরুদ্ধেই মামলা দায়ের করা হয়েছে। সাগরিকা ঘোষ সতর্ক করে বলেন, রাজনৈতিক স্বার্থে পুলিশের এই ব্যবহার মানবাধিকার লঙ্ঘন এবং সংবিধান ও আইনশৃঙ্খলার ওপর বড় আঘাত। এই অন্যায়ের বিরুদ্ধে তৃণমূল কংগ্রেস আইনি লড়াইয়ের পাশাপাশি বৃহত্তর আন্দোলনের পথ বেছে নেবে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *