ক্লাস চলাকালীন খসে পড়ছে সিমেন্ট! কর্ণাটকের স্কুলে উদাসীন প্রশাসন, ক্ষুব্ধ CJP

বেঙ্গালুরু: যেখানে শিশুদের নিশ্চিন্তে ভবিষ্যতের স্বপ্ন বোনার কথা, সেখানে সরকারি অবহেলার কারণে চরম প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে দিন কাটাতে হচ্ছে ছোট ছোট শিক্ষার্থীদের। বেঙ্গালুরুর বারথুর এলাকার একটি সরকারি উর্দু স্কুলের বেহাল পরিকাঠামোর ছবি সামনে আসতেই তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, ভাঙা ছাদ আর জরাজীর্ণ কাঠামোর মধ্যেই জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ক্লাস চালাতে বাধ্য হচ্ছে স্কুল কর্তৃপক্ষ।
সম্প্রতি ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র (CJP) ‘স্কুল ঠিক করো’ অভিযানের অংশ হিসেবে বারথুরের ওই স্কুলটি পরিদর্শনে যান দলের সদস্য আশুতোষ রাঙ্কা। সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ‘এক্স’-এ (টুইটার) সেখানকার জরাজীর্ণ চিত্রটি তুলে ধরেন তিনি। দেখা যায়, বিপজ্জনক পরিস্থিতির কারণে স্কুলের প্রায় ৭০ শতাংশ ক্লাসরুমই বন্ধ রাখতে হয়েছে। শিক্ষার্থীরা জানিয়েছে, এমনকি ক্লাস চলাকালীনও ছাদের প্লাস্টার ও সিমেন্টের অংশ খসে পড়েছে তাদের ওপর।
ঘটনাটি ঘিরে রাজনৈতিক ও সামাজিক মহলে ব্যাপক সমালোচনার ঝড় উঠেছে। সিজেপি-র পক্ষ থেকে সরকারের উদাসীনতা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে বলা হয়েছে, প্রশাসন নিজেদের অতীত ভুল থেকে কোনো শিক্ষাই নিচ্ছে না। উল্লেখ্য, গত ২ সেপ্টেম্বর কর্ণাটকেরই অন্য একটি স্কুলে ক্লাসরুমের ছাদ ভেঙে পড়ে ছয়জন শিক্ষার্থী গুরুতর আহত হয়েছিল। সেই ঘটনার পরেও কীভাবে একটি স্কুলে শিশুদের জীবনকে এভাবে ঝুঁকির মুখে ঠেলে দেওয়া যায়, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।
বিতর্ক তুঙ্গে উঠলেও কর্ণাটক সরকার বা শিক্ষা দপ্তরের পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি মেলেনি। অন্যদিকে, কোনো বড়সড় অঘটন ঘটার আগেই দ্রুত এই জরাজীর্ণ ভবন সংস্কার ও শিক্ষার্থীদের সুরক্ষার দাবি জানিয়েছেন ক্ষুব্ধ অভিভাবক ও স্থানীয় বাসিন্দারা।