লিভার ফেলিয়োরের ঝুঁকি এড়াতে চান? ডায়েটে রাখুন এই ৮ সুপারফুড
September 10, 20268:33 am

ভারতে ফ্যাটি লিভারের সমস্যা আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ছে। লিভারের কোষে অতিরিক্ত চর্বি জমে এই রোগ তৈরি হয়, যা সময়ে চিকিৎসা না করালে লিভার ফোলা এমনকি লিভার ফেলিয়োরের মতো মারাত্মক রূপ নিতে পারে। তবে সঠিক খাদ্যাভ্যাসের মাধ্যমে লিভারের ক্ষতি রোধ করা ও একে সুস্থ রাখা সম্ভব। লিভারের স্বাস্থ্য ফেরাতে অত্যন্ত কার্যকরী ৮টি খাবার:
- রসুন: এতে থাকা ‘অ্যালিসিন’, ভিটামিন বি৬, সি, সেলেনিয়াম ও বিভিন্ন খনিজ উপাদান লিভারে ফ্যাট জমা প্রতিরোধ করে।
- কফি: দিনে ২-৩ কাপ কফি খেলে এতে থাকা ক্যাফেইন ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট লিভারের এনজাইম স্বাভাবিক রাখে এবং ফাইব্রোসিস ও সিরোসিসের ঝুঁকি কমায়।
- গ্রিন টি: প্রচুর পরিমাণে ‘ক্যাটেচিন’ নামক অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকায় এটি কোষের ক্ষতি রোধ করে এবং লিভারের ফ্যাট ও প্রদাহ কমায়।
- ওটস: ওটসে বিদ্যমান ‘সলিউবল ফাইবার’ চর্বি শোষণ কমায়, রক্তে শর্করার মাত্রা ও ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখে এবং হজমপ্রক্রিয়া সহজ করে।
- আখরোট: ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর আখরোট সপ্তাহে ৫-৬ দিন খেলে লিভারের ফ্যাট উল্লেখযোগ্যভাবে কমে।
- অ্যাভোকাডো: এতে রয়েছে ‘গ্লুটাথায়োন’ ও ‘ওলিক অ্যাসিড’, যা বিষাক্ত পদার্থ থেকে লিভারকে সুরক্ষা দেয়।
- বেরি জাতীয় ফল: ব্লুবেরি, স্ট্রবেরি বা ক্র্যানবেরির মতো ফলগুলো অক্সিডেটিভ স্ট্রেস কমায় এবং লিভারের কোষকে চর্বি ও প্রদাহ থেকে রক্ষা করে।
- অলিভ অয়েল: অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও স্বাস্থ্যকর ফ্যাটে সমৃদ্ধ অলিভ অয়েল ইনসুলিন সেনসিটিভিটি বাড়ায় এবং লিভারের প্রদাহ ও চর্বি জমার প্রবণতা কমায়।