ভিড় এড়িয়ে শান্ত সমুদ্রের খোঁজ? বাংলার বুকেই লুকিয়ে আছে গোপন স্বর্গ খেজুরি
September 10, 20269:34 am

দিঘা বা মন্দারমণির চেনা ভিড় আর হকারের কোলাহল থেকে মুক্তি পেতে চাইলে আপনার পরবর্তী উইকেন্ড ডেস্টিনেশন হতে পারে পূর্ব মেদিনীপুরের খেজুরি। দিঘার খুব কাছেই অবস্থিত এই নির্জন স্থানটিকে প্রকৃতির অপূর্ব রূপের কারণে অনেকেই বলেন বাংলার ‘মিনি আন্দামান’। ঘন ঝাউবন, মাইলের পর মাইল বিস্তৃত ফাঁকা বালিয়াড়ি আর লাল কাঁকড়ার অবাধ বিচরণ—সব মিলিয়ে শহরের ব্যস্ততা থেকে দূরে এক প্রশান্তির ঠিকানা। জোয়ারের সময় ঝাউবনের গোড়ায় আছড়ে পড়া সমুদ্রের ঢেউ সত্যিই আন্দামানের আমেজ এনে দেয়।
কী কী দেখবেন ও করবেন:
- প্রাকৃতিক রূপ: নিরিবিলি সৈকতে বসে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত উপভোগ করা, ঝাউবনে হাঁটা এবং রসুলপুর নদী ও বঙ্গোপসাগরের মোহনায় নৌকাবিহার।
- ঐতিহাসিক গুরুত্ব: খেজুড়ির পরতে পরতে জড়িয়ে রয়েছে ইতিহাস। রাজা রামমোহন রায় এবং প্রিন্স দ্বারকানাথ ঠাকুরের বহু স্মৃতি রয়েছে এখানে।
- আশেপাশের আকর্ষণ: সাহিত্যিক বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের উপন্যাস-খ্যাত ঐতিহাসিক ‘কপালকুণ্ডলা মন্দির’, অতি প্রাচীন একটি লাইট হাউস এবং খেজুড়ির পুরোনো বন্দর।
যাতায়াত ও থাকার ব্যবস্থা:
- কীভাবে যাবেন: কলকাতা থেকে দূরত্ব প্রায় ১৩০ কিমি। ধর্মতলা থেকে দিঘাগামী বাসে উঠে হেঁড়িয়া বা খেজুরি মোড়ে নামতে হবে। সেখান থেকে টোটো বা অটোতে ১৫-২০ মিনিটেই পৌঁছে যাওয়া যায় সৈকতে।
- কোথায় থাকবেন: বড় হোটেল না থাকলেও স্থানীয় গেস্ট হাউস ও হোমস্টে মিলবে মাত্র ৮০০ থেকে ১২০০ টাকার মধ্যে।