সমানে-সমানে টক্কর! সভাপতির ‘কাস্টিং ভোটে’ই তৈরি হবে বাগবাজারের পুজো কমিটি
বাগবাজার সর্বজনীন দুর্গাপুজোর নতুন কমিটি গঠন নিয়ে তৈরি হওয়া আইনি জটিলতা কাটল কলকাতা হাইকোর্টে। সাধারণ সম্পাদক পদের অচলবস্থা কাটাতে পুজো কমিটির সভাপতির দেওয়া ‘কাস্টিং ভোট’ বা নির্ণায়ক ভোট সংক্রান্ত নিম্ন আদালতের সিদ্ধান্তকেই বহাল রাখলেন বিচারপতি হিরণ্ময় ভট্টাচার্য। মঙ্গলবার হাইকোর্ট স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, কমিটি গঠনের যে পদ্ধতি নিম্ন আদালত ঠিক করেছিল তা যথাযথ, তাই এতে কোনো হস্তক্ষেপ করা হচ্ছে না।
ভোটের টক্কর ও তৈরি হওয়া জট
গত ৩০ অগস্ট দুই বিশেষ পর্যবেক্ষকের নজরদারিতে বাগবাজার সর্বজনীন পুজো কমিটির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। মোট ৭৭ জন ভোটারের মধ্যে ৬৬ জন ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। নির্বাচনে কোষাধ্যক্ষ এবং ৮ জন কার্যকরী কমিটির সদস্য সহজেই নির্বাচিত হলেও বিপত্তি ঘটে সাধারণ সম্পাদক পদ নিয়ে। দুই প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীই সমসংখ্যক ৩৩টি করে ভোট পাওয়ায় ভোটে পুরোপুরি ‘টাই’ হয়ে যায়।
আইনি লড়াই ও আদালতের চূড়ান্ত রায়
জটিলতা মেটাতে নিম্ন আদালত নির্দেশ দিয়েছিল যে, অচলবস্থা কাটাতে সভাপতি তাঁর নির্ণায়ক ‘কাস্টিং ভোট’ দেবেন। তবে এই প্রক্রিয়াকে অসঙ্গতিপূর্ণ দাবি করে সিদ্ধান্তটি বাতিল করার আবেদন জানিয়ে হাইকোর্টে মামলা দায়ের করেন এক সদস্য। কিন্তু সমস্ত যুক্তি খতিয়ে দেখে মামলাটি খারিজ করে দেয় হাইকোর্ট। ফলে নিম্ন আদালতের নির্দেশ মেনে সভাপতির একটিমাত্র চূড়ান্ত ভোটেই নির্ধারিত হতে চলেছে ঐতিহ্যবাহী বাগবাজার সর্বজনীনের দুর্গাপুজোর নতুন পরিচালনা কমিটি।