নন্দীগ্রাম উপনির্বাচন: ‘জোড়াফুল’ প্রতীক কার? স্ক্রুটিনিতে জটিলতা, মনোনয়ন বাতিলের দাবিতে সরব কংগ্রেস

নন্দীগ্রাম উপনির্বাচন: ‘জোড়াফুল’ প্রতীক কার? স্ক্রুটিনিতে জটিলতা, মনোনয়ন বাতিলের দাবিতে সরব কংগ্রেস

নন্দীগ্রাম বিধানসভা উপনির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের ‘জোড়াফুল’ প্রতীক ঠিক কার হাতে যাচ্ছে— কালীঘাট নাকি ঋতব্রত শিবির? এই জটিলতার জেরে বৃহস্পতিবার মনোনয়ন যাচাইয়ের (স্ক্রুটিনি) প্রক্রিয়া আসাম্পূর্ণই থেকে গেল। নির্বাচন কমিশন থেকে এখনও কোনও স্পষ্ট নির্দেশ না আসায় রিটার্নিং অফিসার শুক্রবার বেলা ১১টা পর্যন্ত স্ক্রুটিনি মুলতুবি রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

বুধবার ছিল নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর উপনির্বাচনে মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন। নন্দীগ্রামে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবির থেকে সঞ্চিতা প্রধান দে এবং ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবির থেকে মহম্মদ এহেতাশ মুল হক মনোনয়ন জমা দিয়েছেন। কিন্তু দলীয় প্রতীক জমা না থাকায় চরম আইনি বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে।

এই পরিস্থিতিতে দুই তৃণমূল প্রার্থীরই মনোনয়ন বাতিলের জোরালো দাবি তুলেছে কংগ্রেস। কংগ্রেস মুখপাত্র অজিতেশ পাণ্ডে স্পষ্ট জানান:

  • প্রতীক না থাকায় দুই প্রার্থীকেই নিয়ম অনুযায়ী নির্দল হিসেবে বিবেচনা করা উচিত।
  • নির্দল প্রার্থীর ক্ষেত্রে কমপক্ষে ১০ জন প্রস্তাবকের প্রয়োজন হলেও, দুই প্রার্থীর সঙ্গেই রয়েছেন মাত্র ১ জন করে প্রস্তাবক।
  • নিয়ম লঙ্ঘন করে মনোনয়ন বজায় রাখা হলে কংগ্রেস আইনি পদক্ষেপ করবে।

ভোটের সূচি ও বিরোধীদের তৎপরতা আগামী ৬ অক্টোবর নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরে ভোটগ্রহণ এবং ৯ অক্টোবর ফল প্রকাশ। নন্দীগ্রামে দুই তৃণমূল প্রার্থীর পাশাপাশি লড়াইয়ে রয়েছে বিজেপি, কংগ্রেস, সিপিআই ও আইএসএফ।

বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর জন্মদিনে রেয়াপাড়ার কার্যালয়ে বৈঠক করে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রচার শুরু করেছেন বিজেপি প্রার্থী হাসিরানি রথ। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন কাঁথির সাংসদ সৌমেন্দু অধিকারী ও জেলা সভাপতি মলয় সিংহ সহ অন্যান্য নেতৃত্ব।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *