‘২০২৭-এ অনুষ্ঠান হবে ব্রিগেডে!’ পিএম বিশ্বকর্মা প্রকল্পের মঞ্চ থেকে বড় হুঙ্কার মুখ্যমন্ত্রীর
September 17, 20269:00 pm

মে মাসের প্রতিশ্রুতি রাখলো রাজ্য সরকার। বৃহস্পতিবার কলকাতার ধনধান্য অডিটোরিয়ামে আনুষ্ঠানিকভাবে সূচনা হলো কেন্দ্রীয় ‘পিএম বিশ্বকর্মা’ প্রকল্পের। কেন্দ্রীয় ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি শিল্পমন্ত্রী জিতন রাম মাঝির উপস্থিতিতে এই প্রকল্পের সূচনা করেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।
বিশ্বকর্মা পুজো এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর জন্মদিন উপলক্ষ্যে আয়োজিত এই অনুষ্ঠান থেকে ‘সেবা সংকল্প’ কর্মসূচিরও ডাক দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যের মূল নির্যাস:
- বঞ্চনার অবসান ও লক্ষ্যমাত্রা: বিগত সরকারের আমলে কেন্দ্রীয় সুবিধা থেকে বঞ্চিত রাজ্যবাসীকে সঠিক সুযোগ দেওয়ার আশ্বাস দেন মুখ্যমন্ত্রী। প্রথম বছরেই রাজ্যে ৫ লাখেরও বেশি কারিগরকে এই প্রকল্পের আওতায় আনার লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে ৭.৭০ লাখ এনরোলমেন্টের মধ্যে ২ লাখের বেশি শিল্পী আবেদন করেছেন এবং ৩,০০০-এর বেশি আবেদন ইতিমধ্যেই অনুমোদিত।
- কেন্দ্রের কাছে বিশেষ আবেদন: হস্তশিল্পীদের যথাযথ প্রশিক্ষণ ও স্কিল ডেভেলপমেন্টের জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে রাজ্যে আরও বেশি সংখ্যায় ট্রেনার বা প্রশিক্ষক পাঠানোর অনুরোধ জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।
- দুর্নীতি রুখতে পঞ্চায়েত সচিবদের দায়িত্ব: অতীতে ভুয়ো জব কার্ড বা স্বজনপোষণের অভিযোগ মেটাতে এ বার বিশ্বকর্মা যোজনার অনুমোদন প্রক্রিয়ার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে গ্রাম পঞ্চায়েতের সচিবদের হাতে।
- ২০২৭-এর ব্রিগেড বার্তা: কর্মসূচির সাফল্যের বিষয়ে আত্মবিশ্বাসী শুভেন্দু অধিকারী জানান, ২০২৭ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর এই প্রকল্পের পরিধি এতটাই বাড়বে যে ধনধান্যের চার দেওয়ালে তা সীমাবদ্ধ রাখা যাবে না, অনুষ্ঠান করতে হবে ব্রিগেডের খোলা ময়দানে।
তিন ধাপের যাচাই প্রক্রিয়া শেষ করে রাজ্য জুড়ে ইতিমধ্যেই কারিগরদের নথিভুক্তকরণ ও দক্ষতা প্রশিক্ষণের কাজ পুরোদমে শুরু হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর উন্নয়নমুখী ভাবনায় পশ্চিমবঙ্গকে দেশের এক নম্বর রাজ্যে পরিণত করাই সরকারের মূল লক্ষ্য বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী।