পুজোর আগেই বড় স্বস্তি! চিনির দাম বেঁধে দিল রাজ্য, কেজি প্রতি কত কমছে?

উৎসবের মরশুমের ঠিক আগেই আমজনতার পকেটে স্বস্তি ফেরাতে কড়া পদক্ষেপ করল পশ্চিমবঙ্গ সরকার। খুচরো বাজারে দাম নিয়ন্ত্রণে আনতে পাইকারি বাজারে চিনির সর্বোচ্চ দাম কেজি প্রতি ৫০ টাকা নির্ধারণ করেছে রাজ্যের কৃষি বিপণন দফতর।
চিনির বাজারে কত বড় স্বস্তি?
- খুচরো দামে পতন: পাইকারি বাজারে দাম বাঁধার ফলে আগামী ৭ দিনের মধ্যে খুচরো বাজারে চিনির দাম কেজি প্রতি ৫৩ থেকে ৫৫ টাকায় নেমে আসতে পারে, যা এতদিন ৭০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছিল।
- সুফল বাংলায় বিক্রি: দুর্গাপুজোর আগেই রাজ্য সরকারের ‘সুফল বাংলা’ স্টলগুলি থেকে সাধারণ মানুষের জন্য সুলভ মূল্যে চিনি কেনার বিশেষ ব্যবস্থা থাকছে।
- ৩ মাসের পরিকল্পনা: উৎসবের মরশুমজুড়ে আগামী অন্তত তিন মাস এই নিয়ন্ত্রিত দাম বজায় রাখার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।
লজিস্টিক ও সরবরাহ ব্যবস্থার সহজীকরণ পোস্তা বাজার মার্চেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের সঙ্গে বৈঠকের পর জোগান স্বাভাবিক রাখতে বিশেষ ছাড় দেওয়া হয়েছে। ডানকুনি রেল রেক পয়েন্ট থেকে ৫০ কিলোমিটার ব্যাসার্ধের মধ্যে থাকা সরকারি গুদামগুলিতে চিনি রাখার অনুমতি মিলবে, যাতে পরিবহণ খরচ কমে ও সরবরাহ দ্রুত হয়।
পেঁয়াজের দামেও কড়া নজর খুচরো বাজারে পেঁয়াজের দাম ৬৫-৭০ টাকায় পৌঁছানোয় এনফোর্সমেন্ট শাখা ও কৃষি বিপণন দফতর যৌথভাবে বাজার নজরদারি শুরু করছে, যাতে কেউ কৃত্রিম সংকট তৈরি করতে না পারে। পাশাপাশি ভবিষ্যতে জোগান বজায় রাখতে রাজ্যে ১০টি নতুন পেঁয়াজ সংরক্ষণের কোল্ড স্টোরেজ গড়ার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
মহারাষ্ট্র, উত্তরপ্রদেশ ও কর্নাটকে অতিরিক্ত বৃষ্টির জেরে উৎপাদন মার খাওয়ায় বাজারে চিনি ও পেঁয়াজের দাম বেড়েছিল। তবে পুজোর মুখে রাজ্যের এই হস্তক্ষেপে মধ্যবিত্তের বড় সাশ্রয় হবে বলে আশা করা হচ্ছে।