ভোটের মুখেই তৃণমূলে বড় ধস! মেটিয়াবুরুজে হাত শিবিরে ১০০০ জোড়াফুল কর্মী
/indian-express-bangla/media/post_attachments/wp-content/uploads/2022/02/mamata-1.jpg?w=640&fit=640,360&ssl=1)
মেটিয়াবুরুজ: উপনির্বাচনের ঠিক মুখেই দক্ষিণ ২৪ পরগনার মেটিয়াবুরুজে জোর ধাক্কা খেল শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস। ঘাসফুল শিবিরের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়ে একসঙ্গে প্রায় ১,০০০ তৃণমূল কর্মী যোগ দিলেন কংগ্রেসে। ভোটের আগেই এই বিপুল সংখ্যক কর্মীর দলবদলকে কেন্দ্র করে স্থানীয় রাজনীতিতে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।
মেটিয়াবুরুজে আয়োজিত এক রাজনৈতিক কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার, রাজ্যের দায়িত্বপ্রাপ্ত পর্যবেক্ষক প্রকাশ জোশী এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা কংগ্রেস সভাপতি এমডি মোক্তার। তাঁদের উপস্থিতিতেই ঘাসফুল ছেড়ে কংগ্রেসের দলীয় পতাকা তুলে নেন নবাগত কর্মীরা।
শাসকদলকে তীব্র আক্রমণ শুভঙ্কর সরকারের
যোগদান মঞ্চ থেকে রাজ্যের শাসকদলের বিরুদ্ধে চাঁচাছোলা ভাষায় আক্রমণ শানান প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার। নন্দীগ্রামের কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, “রাজ্যে সরাসরি গণতন্ত্রকে হত্যা করা হচ্ছে। ভোট চুরির পাশাপাশি এখন নির্বাচনী প্রতীক পর্যন্ত চুরি করা হচ্ছে।” বিরোধীদের ওপর হামলা ও হেনস্থার অভিযোগ তুলে তিনি আরও জানান, জনগণ সব প্রত্যক্ষ করছে এবং আগামী উপনির্বাচনে ব্যালট বাক্সেই এর যোগ্য জবাব দেবে।
‘ভয় পেয়েই মিলনকে জেলে পাঠানো হয়েছে’
কংগ্রেসের রাজ্য পর্যবেক্ষক প্রকাশ জোশী অভিযোগ করেন, নন্দীগ্রামের জমি আন্দোলনে মিলন প্রধানের অবদান অনস্বীকার্য। তাঁর রাজনৈতিক প্রভাব ও গ্রহণযোগ্যতাকে ভয় পেয়েই চক্রান্ত করে তাঁকে জেলে আটকে রাখা হয়েছে। নির্বাচনী লড়াই থেকে সরে দাঁড়ানোর চাপ মানেননি বলেই মিলনের ওপর এই অত্যাচার করা হচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি।
উপনির্বাচনের আগে বিপুল পরিমাণ কর্মীর এই যোগদান মেটিয়াবুরুজসহ পুরো এলাকাতেই কংগ্রেসের সাংগঠনিক শক্তি অনেকখানি বাড়িয়ে দেবে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।