পুরভোটেও মিলবে না ‘জোড়াফুল’? সুপ্রিম কোর্টের রায়ে জোড়া ধাক্কা মমতা শিবিরের!

কলকাতা: আসন্ন পুরভোটের আগে সুপ্রিম কোর্টে জোড়া বড় ধাক্কা খেল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস। প্রতীক ও নাম নিয়ে লড়াইয়ের পাশাপাশি বিদ্রোহী বিধায়কদের পদ খারিজ— জোড়া মামলাতেই প্রাথমিক ভাবে স্বস্তি পেল না দল।
১. চার মাসের আগে মিলবে না জোড়াফুল: আগামী নভেম্বরে রাজ্যে পুরভোট হওয়ার কথা থাকলেও, সেখানে ‘ঘাসফুল’ বা ‘তৃণমূল’ নাম ব্যবহার নিয়ে তৈরি হয়েছে আইনি জটিলতা। শীর্ষ আদালতের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের বেঞ্চ স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, ‘তৃণমূল’ নাম ও ‘জোড়াফুল’ প্রতীক কোন গোষ্ঠী পাবে, সে বিষয়ে চূড়ান্ত নির্দেশ দিতে নির্বাচন কমিশনের আরও চার মাস সময় লাগবে। ফলে পুরভোটেও ‘ফ্রিজ়’ থাকছে ঘাসফুল চিহ্ন। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, চার সপ্তাহের মধ্যে উভয় পক্ষের সওয়াল-জবাব প্রক্রিয়া শেষ করবে কমিশন এবং তারপর আগামী তিন মাসের মধ্যে নেবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত।
২. বিধায়কপদ খারিজ মামলায় সিদ্ধান্ত স্পিকারের: অন্যদিকে, বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ ১০ জন বিদ্রোহী বিধায়কের বিধায়কপদ খারিজের আর্জিতে আদালতের তরফ থেকে স্পিকারকে কোনো কড়া সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়নি। প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ জানায়, দলত্যাগ-বিরোধী আইনে বিধায়কপদ খারিজের সিদ্ধান্ত নেওয়ার সাংবিধানিক ক্ষমতা একমাত্র বিধানসভার স্পিকারের। সাধারণত তিন মাসের মধ্যে এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত বলে শীর্ষ আদালত আশাপ্রকাশ করেছে।
এই জোড়া রায়ের ফলে পুরভোটের আগে দলীয় চিহ্ন ফিরে পাওয়া কিংবা বিরোধী শিবিরের বিধায়কপদ খারিজ করানোর প্রক্রিয়ায় বড়সড় আইনি ধাক্কা খেল কালীঘাট তৃণমূল।