বিস্ফোরক অভিযোগের মুখে প্রধান নির্বাচন কমিশনার! শীর্ষ আদালতের এক পদক্ষেপে সরগরম রাজনীতি?

সুপ্রিম কোর্টের বড় পদক্ষেপে চরম অস্বস্তিতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (CEC) জ্ঞানেশ কুমার। নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে দায়ের হওয়া জনস্বার্থ মামলায় কেন্দ্রীয় সরকার, নির্বাচন কমিশন এবং স্বয়ং সিইসি-কে নোটিস জারি করেছে শীর্ষ আদালত। মামলাকারীদের অভিযোগ, কমিশনের বাকি দুই সদস্যের অনুমোদন ছাড়াই ভোটার তালিকার ‘SIR’ এবং ‘Form 6’-এ বেশ কিছু পরিবর্তনসহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত একাই নিয়েছেন জ্ঞানেশ কুমার। এমনকি মামলার চূড়ান্ত রায় না হওয়া পর্যন্ত তাঁর স্থগিতাদেশ ও তাঁকে পদ থেকে সাসপেন্ড করার আবেদন জানান আবেদনকারীর আইনজীবী বিকাশ সিং। যদিও আদালত স্পষ্ট জানিয়েছে, সংবাদপত্র প্রতিবেদনের ভিত্তিতে এখনই এমন কোনো নির্দেশ দেওয়া সম্ভব নয় এবং সমস্ত সরকারি নথি খতিয়ে দেখার পরই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
অন্যদিকে নির্বাচন কমিশন দাবি করেছে, মূল ‘Form 6’ বদল করা হয়নি; কেবল প্রক্রিয়ার স্বার্থে একটি অতিরিক্ত ঘোষণাপত্র যুক্ত করা হয়েছিল, যা কমিশনের অনুমোদনেই সম্পন্ন হয়। তবে প্রধান বিচারপতি সূর্যকাজের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ সাফ জানিয়ে দিয়েছে যে, সমস্ত সিদ্ধান্ত আইন মেনে নেওয়া হয়েছে কি না তা খতিয়ে দেখে প্রয়োজনে তা বাতিলও করা হতে পারে। সিইসি-কে সাসপেন্ড করা হলে কমিশনের কাজ কীভাবে পরিচালিত হবে, সে বিষয়ে আদালতের প্রশ্নের জবাবে আবেদনকারী জানান যে অন্য দুই কমিশনার দায়িত্ব সামলাতে পারেন। আগামী ২৭ অক্টোবর এই চাঞ্চল্যকর মামলার পরবর্তী শুনানি নির্ধারিত হয়েছে। ততদিনের মধ্যে কেন্দ্র ও নির্বাচন কমিশনকে তাদের বিস্তারিত জবাব এবং সমস্ত প্রয়োজনীয় নথি জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট।