হঠাৎ থমকে গেল রাজপথ: দিল্লিতে রাহুল-অভিষেকদের ধর্ণায় তোলপাড় দেশ, নির্বাচন কমিশনে কী ঘটল?

নয়াদিল্লি: মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে মঙ্গলবার উত্তাল হয়ে ওঠে দেশের রাজধানী। ‘গণতন্ত্র বাঁচাও’ ব্যানার হাতে নিয়ে সংসদ চত্বরে প্রবল সোচ্চার হন বিরোধী ‘ইন্ডিয়া’ জোটের শীর্ষ সাংসদরা। সকাল ১১টায় লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী, মল্লিকার্জুন খাড়গে, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অখিলেশ যাদবদের নেতৃত্বে নির্বাচন কমিশনের সদর দপ্তর অভিমুখে একটি বিশাল প্রতিবাদ মিছিল শুরু হয়। তবে অল ইন্ডিয়া রেডিও ভবনের সামনে পুলিশ ব্যারিকেড দিয়ে মিছিল আটকে দিলে তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। ব্যারিকেডের ওপর উঠে বিক্ষোভ দেখান অনেক প্রতিনিধি, আবার অনেকে নীতি আয়োগের দপ্তরের সামনে রাস্তায় বসে পড়ে অবস্থান ধর্ণায় সামিল হন।
বিরোধীদের তীব্র আক্রমণ করে সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদব দাবি করেন, নির্বাচন কমিশনকে বিজেপির দলীয় কার্যালয়ে পরিণত করা হয়েছে এবং বিগত নির্বাচনগুলিতে ক্রমাগত কারচুপি চালানো হয়েছে। সিপিআই সাধারণ সম্পাদক ডি রাজাও অবিলম্বে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগের দাবি তোলেন। অন্যদিকে, এই ঘটনার কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান পাল্টা আক্রমণ হানেন। তিনি প্রশ্ন তুলে বলেন, বিরোধীরা যদি কেরল বা কর্ণাটকে জয়ের পর প্রশ্ন না তোলেন, তবে হারলেই কেন নির্বাচন ব্যবস্থার ওপর অভিযোগ আনছেন? তিনি বিরোধীদের পরাজয় মেনে নেওয়ার এবং গণতন্ত্রকে অপমান না করার পরামর্শ দেন।