‘গণতন্ত্রের জননী’ ভারতে ভিন্ন মতের চর্চাই শক্তির উৎস, আন্তর্জাতিক মঞ্চে বড় বার্তা মোদীর

‘ভোটচুরি’র অভিযোগে দেশের অন্দরে বিরোধী আন্দোলনের তীব্র চাপের মধ্যেই আন্তর্জাতিক ফোরামে জোরাল বক্তব্য পেশ করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ব্লুমবার্গের ইকোনমিক ফোরামে তিনি দাবি করেন, ভারতই গণতন্ত্রের জননী এবং এ দেশে খোলামেলা আলোচনা ও ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গির প্রকাশের পূর্ণ স্বাধীনতা রয়েছে। ১০০টিরও বেশি ভাষা, হাজারেরও বেশি স্যাটেলাইট চ্যানেল এবং কোটি কোটি সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীর উল্লেখ করে তিনি ভারতকে ‘নানা মতের তর্কক্ষেত্র’ বলে অভিহিত করেন। মোদীর মতে, সরকারের মূল লক্ষ্য নাগরিকদের ক্ষমতারায়ণ করা, যা দেশের সুদৃঢ় অর্থনৈতিক বৃদ্ধি এবং ধারাবাহিক সংস্কারের মাধ্যমে প্রমাণিত।
চলতি অর্থবর্ষের প্রথম ত্রৈমাসিকে ৭.৮ শতাংশ বৃদ্ধির হারের প্রসঙ্গ টেনে প্রধানমন্ত্রী জানান, অনিশ্চয়তায় ভরা বিশ্বমঞ্চে ভারত নির্ভরযোগ্যতা ও স্থিতিশীলতার অন্যতম প্রতীক। অর্থনৈতিক প্রগতির পাশাপাশি তিনি জ্বালানি, প্রযুক্তি এবং খনিজ সম্পদকে ভূ-রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহারের বিরুদ্ধে সতর্কবার্তা দেন। বিরোধী শিবিরের লাগাতার আন্দোলন এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক চাপের আবহেই প্রধানমন্ত্রীর এই বক্তব্য আন্তর্জাতিক মহলে যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।