রক্তাক্ত সইফকে দেখে উন্মাদের মতো ছুটছিলেন করিনা, ৬ মাস ঘুমাতে পারেননি সেই আতঙ্কে!

রক্তাক্ত সইফকে দেখে উন্মাদের মতো ছুটছিলেন করিনা, ৬ মাস ঘুমাতে পারেননি সেই আতঙ্কে!

অস্ত্রধারী দুষ্কৃতীর হামলায় রক্তাক্ত সইফ, বিভীষিকাময় সেই রাতের স্মৃতিচারণ করিনার

জনপ্রিয় চ্যাট শো ‘কফি উইথ করণ’-এর নবম সিজনে হাজির হয়ে প্রথমবারের মতো ভয়াবহ সেই রাতের অভিজ্ঞতার কথা জানালেন বলিউড তারকা দম্পতি সইফ আলি খান ও করিনা কাপুর খান। ২০২৫ সালের ১৬ জানুয়ারি বান্দ্রার নিজ বাড়িতে নিরাপত্তা বেষ্টনী টপকে ঢুকে পড়া এক অস্ত্রধারীর হামলার শিকার হন সইফ। ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে করিনা জানান, সইফকে রক্তাক্ত অবস্থায় দেখার পর তিনি মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলেছিলেন। দীর্ঘ ছয় মাস সেই ট্রমার মধ্যে কাটিয়েছেন অভিনেত্রী, রাতে ঘুমাতে গিয়েও বারবার আঁতকে উঠতেন তিনি।

দেবদূতের মতো পাশে দাঁড়িয়েছিলেন অটোচালক

হামলার সেই মুহূর্তটিকে সইফ তার জীবনের ‘সবচেয়ে জঘন্য রাত’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। অভিনেতা জানান, একদিকে প্রাণ হারানোর ভয়, অন্যদিকে দুই সন্তান তৈমুর ও জেহের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার মানসিক চাপ—সব মিলিয়ে পরিস্থিতি ছিল নিয়ন্ত্রণের বাইরে। এমন সংকটময় মুহূর্তে এক অটোচালক দেবদূতের মতো এগিয়ে আসেন। কোনো দ্বিধা ছাড়াই তিনি রক্তাক্ত সইফকে অটোয় তুলে দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছে দেন, যা অভিনেতার প্রাণ বাঁচাতে বড় ভূমিকা পালন করে। এ ঘটনার পর পরিবার, বন্ধু এবং অনুরাগীদের অকুন্ঠ সমর্থনকে তারা কৃতজ্ঞতার সাথে স্মরণ করেছেন।

নিরাপত্তার প্রশ্নে নতুন উদ্বেগ

বান্দ্রার মতো সুরক্ষিত এলাকায় তারকা দম্পতির বাড়িতে এমন নৃশংস হামলা বিনোদন জগতে নিরাপত্তার অভাব নিয়ে নতুন করে উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে। এই ঘটনার পর সইফের শরীরে বেশ কয়েকটি অস্ত্রোপচার করতে হয় এবং দীর্ঘ সময় চিকিৎসার প্রয়োজন পড়ে। মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে আসা সইফ এখন সুস্থ থাকলেও, ঘটনাটি কেবল তাদের ব্যক্তিগত জীবনেই নয়, বরং খ্যাতনামা ব্যক্তিদের বাসভবনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েও বড় ধরনের প্রশ্ন তুলে দিয়েছে।

এক ঝলকে

  • ২০২৫ সালের ১৬ জানুয়ারি রাতে সইফের বান্দ্রার বাড়িতে অস্ত্রধারী দুষ্কৃতীর অতর্কিত হামলা।
  • ধারালো অস্ত্রের আঘাতে গুরুতর জখম হন সইফ, যার ফলে তাকে একাধিক জরুরি অস্ত্রোপচার করতে হয়।
  • ঘটনার ভয়াবহতায় দীর্ঘ ছয় মাস মানসিক ট্রমার মধ্য দিয়ে যান করিনা কাপুর খান।
  • সংকটময় মুহূর্তে একজন অটোচালক দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছে দিয়ে সইফের প্রাণ বাঁচান।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *