গঙ্গার ঘাটে পুলিশের এনকাউন্টার, খতম ৩ দুর্ধর্ষ গ্যাংস্টার!

পুলিশের এনকাউন্টারে নিহত কুখ্যাত তিন দুষ্কৃতী, আহত থানার ওসি
পটনা: পটনার মনের প্যাক্স সভাপতি সংজিৎ কুমার ওরফে ভোলু হত্যা মামলায় অভিযুক্ত তিন দুষ্কৃতী পুলিশের সঙ্গে গুলির লড়াইয়ে নিহত হয়েছে। শুক্রবার ভোররাত আনুমানিক তিনটে নাগাদ শেরপুর গঙ্গাঘাট সংলগ্ন নিঝুম এলাকায় এই এনকাউন্টারের ঘটনা ঘটে। এই সংঘর্ষে আহত হয়েছেন মনের থানার এসএইচও রজনীশ কুমার।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, প্যাক্স সভাপতি সংজিৎ কুমার হত্যাকাণ্ডের মূল ষড়যন্ত্রী জে পি যাদব তার দুই সহযোগী বাবলু কুমার ও রাজা শর্মা ওরফে সূরজ কুমারের সঙ্গে শেরপুর গঙ্গাঘাট এলাকায় আত্মগোপন করে নতুন কোনো নাশকতার ছক কষছিল। গোপন সূত্রে এই খবর পেয়ে পটনা পুলিশের এসটিএফ এবং জেলা পুলিশের একটি বিশেষ যৌথ দল ওই এলাকায় অভিযান চালায়।
পুলিশকে দেখা মাত্রই দুষ্কৃতীরা এলোপাথাড়ি গুলি ছুড়তে শুরু করে। পালটা গুলি চালায় পুলিশও। উভয় পক্ষের মধ্যে প্রায় ২০ মিনিট ধরে চলা এই লড়াইয়ে মোট ৪২ রাউন্ড গুলি বিনিময় হয়। দুষ্কৃতীদের নিক্ষিপ্ত গুলিতে গুরুতর আহত হন মনের থানার ওসি রজনীশ কুমার। তাঁকে দ্রুত উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
গুলিযুদ্ধ থামার পর ঘটনাস্থলে তল্লাশি চালিয়ে পুলিশ তিন দুষ্কৃতীকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়, যেখানে চিকিৎসকরা তাদের মৃত ঘোষণা করেন। মৃতদের মধ্যে জে পি যাদব সংজিৎ কুমার খুনের মূল পরিকল্পনাকারী এবং বাকি দুজন ওই হত্যাকাণ্ডের শুটার ছিল বলে নিশ্চিত করেছে পুলিশ। তাদের বিরুদ্ধে হত্যা ও তোলাবাজিসহ একাধিক অপরাধমূলক মামলা রয়েছে।
পটনার এসএসপি কার্তিকেয় কে শর্মা জানান, অভিযুক্তরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি চালানোয় বাহিনী আত্মরক্ষার্থে পালটা গুলি চালায়। ঘটনাস্থল থেকে দুটি আধুনিক পিস্তল, একটি দেশি কাট্টা এবং বিপুল পরিমাণ গুলি উদ্ধার করা হয়েছে। ফরেন্সিক দল ঘটনাস্থল থেকে নমুনা সংগ্রহ করেছে এবং এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।