প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে রমরমিয়ে নিষিদ্ধ বাজি বিক্রি, নুঙ্গি বাজারে পুলিশের বড় হানায় আটক ২!

নিষিদ্ধ বাজি বিরোধী অভিযান ও কালীপুজোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তৎপর প্রশাসন
নিজস্ব প্রতিবেদক, পশ্চিমবঙ্গ: কালীপুজো ও দীপাবলিকে সামনে রেখে শব্দদূষণ রোধ এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিশেষ অভিযানে নেমেছে রাজ্য পুলিশ ও দমকল বাহিনী। নিষিদ্ধ বাজি বিক্রি রুখতে শুক্রবার ডায়মন্ড হারবার জেলা পুলিশের মহেশতলা থানা নুঙ্গি বাজি বাজারে অভিযান চালায়।
অভিযান চলাকালীন পুলিশ বিপুল পরিমাণ নিষিদ্ধ বাজি বাজেয়াপ্ত করেছে, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক চকলেট বোমা রয়েছে। এই ঘটনায় জড়িত অভিযোগে দুজনকে আটক করা হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে বারবার সতর্কবার্তা দেওয়া সত্ত্বেও কীভাবে ওই বাজারে নিষিদ্ধ বাজি বিক্রি চলছিল, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। ওয়াকিবহাল মহল মনে করছে, উৎসবের মরশুমে শব্দদানব রুখতে পুলিশের এই সক্রিয়তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
অন্যদিকে, চোরবাগানের সাম্প্রতিক মর্মান্তিক ঘটনার পুনরাবৃত্তি এড়াতে কালীপুজোর নিরাপত্তা ব্যবস্থায় বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে। কলকাতা-সহ রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তের প্রসিদ্ধ কালীপুজো মণ্ডপগুলিতে পুলিশ ও দমকলের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা যৌথ পরিদর্শন শুরু করেছেন।
নিরাপত্তা খতিয়ে দেখতে গিয়ে আধিকারিকরা মণ্ডপগুলির প্রবেশ ও প্রস্থানের পথ, দর্শনার্থীদের ভিড় নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা এবং জরুরি পরিস্থিতিতে বেরোনোর পথ (ইমার্জেন্সি এক্সিট)-এর ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন। এছাড়াও মণ্ডপের ভেতরে ও বাইরে পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নিরাপত্তার খাতিরে মণ্ডপগুলিতে আলাদা করে কোনো ভিআইপি প্রবেশপথ না রাখারও পরামর্শ দিয়েছে প্রশাসন।
প্রশাসন সূত্রে জানানো হয়েছে, চোরবাগানের ঘটনার শিক্ষা থেকেই এবার কালীপুজোয় ভক্ত ও দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই পুলিশের কাছে প্রধান চ্যালেঞ্জ। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে উৎসবের দিনগুলিতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা সর্বোচ্চ পর্যায়ে রাখা হবে।