২০২৬-এর মহাযুদ্ধে কমিশনের রুদ্রমূর্তি ভোটদানে বাধা দিলেই হবে পুনর্নির্বাচন

২০২৬-এর মহাযুদ্ধে কমিশনের রুদ্রমূর্তি ভোটদানে বাধা দিলেই হবে পুনর্নির্বাচন

ভোটের ময়দানে এবার আর পেশিশক্তির দাপট চলবে না। ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে অবাধ ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে নজিরবিহীন কড়া পদক্ষেপ নিতে চলেছে ভারতের নির্বাচন কমিশন। এতকাল পুনর্নির্বাচন বা ‘রিপোল’ ছিল একটি ব্যতিক্রমী ঘটনা, কিন্তু এবার অশান্তি দমনে এটিকেই প্রধান অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হবে।

ভয় দেখালেই কড়া দাওয়াই

কমিশন স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, ভোটারদের ভয় দেখানো বা ভোটদানে বাধা দেওয়ার সামান্যতম অভিযোগ প্রমাণিত হলেই সংশ্লিষ্ট বুথে পুনরায় ভোট নেওয়া হবে। ১৯৫১ সালের জনপ্রতিনিধিত্ব আইনের ৫৮ (এ) এবং ১৩৫ (এ) ধারার ওপর ভিত্তি করে এই কঠোর অবস্থান নেওয়া হচ্ছে। বুথ দখল থেকে শুরু করে ভোটারদের রাস্তা আটকে দেওয়া— সব ক্ষেত্রেই এবার কমিশন স্বতঃপ্রণেোদিত হয়ে ভোট বাতিলের ক্ষমতা রাখছে।

সরাসরি অভিযোগের সুযোগ

সাধারণ ভোটারদের জন্য থাকছে বিশেষ সুরক্ষা। কেউ যদি হুমকির কারণে বাড়ি থেকে বেরোতে না পারেন, তবে সরাসরি কমিশন বা পর্যবেক্ষককে ফোন করে অভিযোগ জানাতে পারবেন। অভিযোগের সত্যতা মিললেই সেই বুথের ভোট বাতিল করে কড়া নিরাপত্তার ঘেরাটোপে নতুন করে ভোট নেওয়া হবে।

গ্রেফতারিতে পুলিশের বাড়তি ক্ষমতা

শান্তি বজায় রাখতে পুলিশকেও দেওয়া হয়েছে বিশেষ ক্ষমতা। ভোটারদের বাধা দেওয়া বা অশান্তি সৃষ্টির অভিযোগে পুলিশ এবার থেকে কোনও ওয়ারেন্ট ছাড়াই অভিযুক্তকে সরাসরি গ্রেফতার করতে পারবে। কমিশনের এই আগ্রাসী মেজাজ স্পষ্ট করে দিচ্ছে যে, আসন্ন নির্বাচনে স্বচ্ছতা আনাই তাদের প্রধান লক্ষ্য।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *