মার্কিন এয়ারবেসে ইরানের বিধ্বংসী হামলা, গুঁড়িয়ে গেল অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান

মার্কিন এয়ারবেসে ইরানের বিধ্বংসী হামলা, গুঁড়িয়ে গেল অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান

সৌদি আরবের প্রিন্স সুলতান এয়ারবেসে মুহুর্মুহু মিসাইল ও ড্রোন বর্ষণ করে বড়সড় সাফল্য দাবি করল ইরান। তেহরানের দাবি, এই হামলায় আমেরিকার গর্ব এবং আকাশপথের নজরদারির মূল স্তম্ভ ‘E-3 সেন্ট্রি অ্যাওয়াক্স’ (AWACS) বিমানটি প্রায় সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গেছে।

হামলার ভয়াবহতা ও ক্ষয়ক্ষতি ইরানি সংবাদমাধ্যম ‘প্রেস টিভি’র প্রকাশিত ছবিতে দেখা গেছে, মার্কিন যুদ্ধবিমানটির মাঝের অংশ ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। জানা গেছে, ইরান এই অভিযানে অন্তত ৬টি ব্যালিস্টিক মিসাইল এবং ২৯টি আত্মঘাতী ড্রোন ব্যবহার করেছে। মার্কিন সূত্রের খবর অনুযায়ী, হামলায় ১২ জন মার্কিন সেনা আহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। এছাড়া বেশ কিছু জ্বালানি সরবরাহকারী (KC-135) বিমানও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

কেন এই হামলা আমেরিকার বড় ক্ষতি E-3 সেন্ট্রি বিমানকে মার্কিন বিমানবাহিনীর ‘কন্ট্রোল রুম’ বলা হয়। এটি মাঝ আকাশে থেকে শত্রুদেশের মিসাইল বা ড্রোনের ওপর নজর রাখে। এই ধরণের বিশেষ বিমান সংখ্যায় খুব কম থাকায় এটি হারানো পেন্টাগনের জন্য বড় কৌশলগত ধাক্কা।

প্রতিশোধের আগুনে জ্বলছে মধ্যপ্রাচ্য ইরানি রেভল্যুশনারি গার্ডস (IRGC) জানিয়েছে, আমেরিকা ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার জবাবেই এই পদক্ষেপ। উল্লেখ্য, ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে শুরু হওয়া এই যুদ্ধে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনেইসহ একাধিক শীর্ষ নেতার মৃত্যুর পর পরিস্থিতি চরম আকার ধারণ করেছে।

ইরান আরও দাবি করেছে, তারা একটি মার্কিন MQ-9 ড্রোন এবং F-16 যুদ্ধবিমানকেও লক্ষ্যবস্তু করেছে। পালটা হিসেবে ইসরায়েলের হাইফা ও বেন গুরিয়ান বিমানবন্দরের জ্বালানি ভাণ্ডারেও আঘাত হেনেছে তেহরান। সব মিলিয়ে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি এখন খাদের কিনারায়।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *