ট্রাম্পের বড় চাল, খলিফা থেকে খামেনি সবার রক্তচাপ বাড়িয়ে ইরান ছাড়ছে ২০টি তেলের জাহাজ

মধ্যপ্রাচ্যের রণক্ষেত্রে এবার কি দাবার চাল উল্টে দিচ্ছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প? একদিকে যুদ্ধের দামামা, অন্যদিকে ইরানের খামেনি প্রশাসনের সাথে গোপন সমঝোতার ইঙ্গিত—সব মিলিয়ে নাটকীয় মোড় নিল বিশ্ব রাজনীতি। মার্কিন প্রেসিডেন্ট দাবি করেছেন, তেহরান অবশেষে নতি স্বীকার করে হরমুজ প্রণালী দিয়ে ২০টি বিশালাকার তেলের জাহাজ ছেড়ে দিতে রাজি হয়েছে। তবে শুধু জাহাজেই শান্ত নন ট্রাম্প, তার নজর এখন ইরানের লাইফলাইন হিসেবে পরিচিত ‘খার্গ দ্বীপ’ দখলের দিকে।
ফাইনান্সিয়াল টাইমসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প সরাসরি জানিয়েছেন, ইরানের তেলের ওপর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠাই এখন তার মূল লক্ষ্য। ভেনেজুয়েলার কায়দাতেই ইরানের তেল শিল্পকে কবজায় নিতে চান তিনি। এই ডামাডোলের মাঝেই বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম আকাশচুম্বী হয়ে ব্যারেল প্রতি ১১৬ ডলার ছাড়িয়েছে। ট্রাম্পের স্পষ্ট হুঙ্কার, মার্কিন প্রশাসনের ভেতরে কিছু মানুষ বিরোধিতা করলেও ইরানের প্রধান রপ্তানি কেন্দ্র খার্গ দ্বীপ দখল করা থেকে তাকে আটকানো সহজ হবে না।
মার্কিন প্রেসিডেন্টের এই বিস্ফোরক মন্তব্যের পর প্রশ্ন উঠছে, ইরান কি আসলেও পিছু হটছে নাকি এটি বড় কোনো ঝড়ের পূর্বাভাস? মধ্যপ্রাচ্যে হাজার হাজার মার্কিন সেনা মোতায়েনের মধ্যেই তেল দখলের এই মরিয়া চেষ্টা পুরো অঞ্চলের মানচিত্র বদলে দিতে পারে বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা।