ইরানের বিরুদ্ধে ট্রাম্পের সংকেত অপারেশন ফাইভ-জি নিয়ে রণকৌশল চূড়ান্ত করল আমেরিকা

মধ্যপ্রাচ্যে ঘনিয়ে আসছে যুদ্ধের কালো মেঘ। ইরানের বিরুদ্ধে সরাসরি স্থলপথে যুদ্ধের প্রস্তুতি হিসেবে পেন্টাগনের জরুরি বৈঠকে ‘অপারেশন ফাইভ-জি’ নামক এক বিধ্বংসী ব্লুপ্রিন্ট তৈরি করেছে আমেরিকা। ডোনাল্ড ট্রাম্পের সবুজ সংকেত পেলেই হরমুজ প্রণালীতে মোতায়েন করা হতে পারে প্রায় ১০ হাজার মার্কিন সেনা। এই পরিকল্পনার পাঁচটি ধাপে ইরানের উপকূলীয় সামরিক ঘাঁটি ধ্বংস, পারস্য উপসাগরের দ্বীপগুলোর সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা এবং খাগ দ্বীপে কমান্ডো অভিযান চালিয়ে দেশটির শীর্ষ নেতৃত্বকে কবজায় নেওয়ার ছক কষছে পেন্টাগন। এই লক্ষ্যে ইতিপূর্বেই রণতরি ইউএসএস ত্রিপোলি মধ্যপ্রাচ্যে পৌঁছেছে এবং ব্রিটেন থেকে মাইন অপসারণকারী জাহাজও রওনা দিয়েছে।
পাল্টা চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে ইরানও দীর্ঘমেয়াদী যুদ্ধের প্রস্তুতি সেরে রেখেছে। তেহরান জানিয়েছে, তাদের কাছে এখনও ৭০ শতাংশ মিসাইল মজুত রয়েছে এবং তারা অন্তত দুই বছর লড়াই চালিয়ে যাওয়ার সক্ষমতা রাখে। মার্কিন স্থল অভিযান রুখতে ইরান সুড়ঙ্গ নেটওয়ার্ক ও ড্রোন ব্যবহারের পাশাপাশি গেরিলা যুদ্ধের কৌশল নিয়েছে। ১৫০০ কিলোমিটার দীর্ঘ উপকূলরেখা এবং শক্তিশালী মিসাইল ভাণ্ডার নিয়ে তারা আমেরিকাকে ‘ভিয়েতনাম’ বা ‘আফগানিস্তানের’ মতো ভয়াবহ পরিস্থিতির স্বাদ দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে। ফলে স্থলপথে এই সংঘাত শুরু হলে তা কেবল দুই দেশের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে সমগ্র মধ্যপ্রাচ্যে এক ভয়াবহ মানবিক ও সামরিক বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে।