সীমান্তে অনুপ্রবেশ রুখতে বিএসএফের ভয়ংকর ছক নদী ও জঙ্গলে মোতায়েন হবে কুমির ও বিষাক্ত সাপ

সীমান্তে অনুপ্রবেশ রুখতে বিএসএফের ভয়ংকর ছক নদী ও জঙ্গলে মোতায়েন হবে কুমির ও বিষাক্ত সাপ

ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে অনুপ্রবেশ এবং চোরাচালান চিরতরে বন্ধ করতে এক নজিরবিহীন ও চাঞ্চল্যকর পদক্ষেপ নিতে চলেছে বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স বা বিএসএফ। গতানুগতিক কাঁটাতারের বেড়া কিংবা লেজার ওয়ালের পাশাপাশি এবার প্রাকৃতিক রক্ষাকবচ হিসেবে সীমান্তে হিংস্র কুমির এবং বিষাক্ত সাপ ছাড়ার পরিকল্পনা করছে কর্তৃপক্ষ। মূলত নদীমাতৃক এবং দুর্গম জঙ্গলঘেরা সীমান্ত এলাকাগুলোতে এই বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা কার্যকর করার চিন্তাভাবনা চলছে।

বিএসএফ সূত্রে জানা গেছে, ইছামতী বা কালিন্দীর মতো নদী এবং সীমান্তের ঘন ঝোপঝাড় ব্যবহার করে বর্ষাকালে বা কুয়াশার সুযোগে অনুপ্রবেশকারীরা পারাপার করে। এই অনুপ্রবেশ ঠেকাতে নদীগুলোতে কুমির এবং জঙ্গলাকীর্ণ অংশে চন্দ্রবোড়া বা কেউটের মতো বিষাক্ত সাপ ছাড়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এই ‘জৈবিক প্রহরী’ বা বায়োলজিক্যাল গার্ড মোতায়েন করা হলে অনুপ্রবেশকারীদের মনে চরম ত্রাস সৃষ্টি হবে এবং লুকিয়ে সীমান্ত পার হওয়া কার্যত আসাম্ভব হয়ে পড়বে।

প্রযুক্তিগত নজরদারির সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে ২৪ ঘণ্টা অতন্দ্র পাহারায় এই পদ্ধতি অত্যন্ত সাশ্রয়ী এবং কার্যকর হবে বলে মনে করছেন আধিকারিকরা। তবে বন্যপ্রাণীদের এভাবে কৌশলগত উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা নিয়ে পরিবেশবিদদের মধ্যে ইতিমধ্য়েই বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের পক্ষ থেকে এই প্রস্তাবে সবুজ সংকেত মিললে দ্রুতই সীমান্ত এলাকায় শুরু হতে পারে ‘অপারেশন ক্রোকোডাইল অ্যান্ড স্নেক’। বিএসএফ-এর এই নতুন কৌশল সীমান্তে নিরাপত্তার সংজ্ঞাই বদলে দিতে পারে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *