হাতা-খুন্তির লড়াইয়ে উত্তাল বাংলা, কিচেন পলিটিক্সে মেতেছেন সবাই!

হাতা-খুন্তির লড়াইয়ে উত্তাল বাংলা, কিচেন পলিটিক্সে মেতেছেন সবাই!

নির্বাচনের আবহে জমে উঠেছে বাংলার রাজনৈতিক প্রচারের ময়দান, যেখানে জনসভা বা রোড শো-র পাশাপাশি ভোটারদের মন জয় করতে প্রার্থীরা এখন আশ্রয় নিচ্ছেন ‘হেঁশেল’ নীতির। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দেখানো পথে হেঁটে বর্তমান নির্বাচনে তৃণমূল, বিজেপি ও বাম—সব পক্ষই জনসংযোগের নয়া হাতিয়ার হিসেবে বেছে নিয়েছে রান্নাঘরকে। প্রার্থীরা এখন গ্রামের বধূদের সঙ্গে মশলা বাটা, কড়াইয়ে খুন্তি নাড়া কিংবা মাটির উনুনে রুটি সেঁকার মতো কাজে সরাসরি অংশ নিচ্ছেন, যা সোশ্যাল মিডিয়ায় দ্রুত ভাইরাল হচ্ছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বাংলার নারী ও গৃহস্থ ভোটারদের কাছে পৌঁছাতে রান্নাঘরের এই সংযোগ অত্যন্ত কার্যকর। ভোটারদের মানসিক কাছাকাছি পৌঁছাতে এই ‘ইমোশনাল কার্ড’কে ব্যবহার করছে সব রাজনৈতিক দল। লক্ষ্মীর ভাণ্ডার ও বিনামূল্যে রেশনের মতো সরকারি প্রকল্পের প্রভাব সরাসরি হেঁশেলে পড়ায়, ড্রয়িং রুমের আলোচনার পরিবর্তে রান্নাঘরের আড্ডায় গুরুত্ব দিচ্ছেন প্রার্থীরা। ভোটের পাতেও চলছে রাজনীতির রেষারেষি; একদিকে শাসকদল যেমন ‘ঘরের মেয়ে’ ভাবমূর্তিকে হাতিয়ার করছে, অন্যদিকে বিরোধীরা মাছের রাজনীতি এবং নিয়োগ দুর্নীতির মতো ইস্যু নিয়ে ভোটারদের মন পাওয়ার লড়াইয়ে নেমেছে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *