আসন পুনর্বিন্যাস নিয়ে মোদীর বড় চমক!

লোকসভার আসন পুনর্বিন্যাস নিয়ে বিতর্ক: উত্তরের আধিপত্য বনাম দক্ষিণের উদ্বেগ
‘নারী শক্তি বন্দন অধিনিয়ম’ বা মহিলা সংরক্ষণ বিলের আড়ালে আসন পুনর্বিন্যাস করে দক্ষিণী রাজ্যগুলির প্রতিনিধিত্ব কমিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ তুলেছে বিরোধীরা। তাঁদের আশঙ্কা, উত্তর ভারতে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার বেশি হওয়ায় আসনের পুনর্বিন্যাস হলে রাজনৈতিকভাবে ‘গোবলয়’-এর রাজ্যগুলি বাড়তি সুবিধা পাবে, যা দক্ষিণ ও পূর্ব ভারতের রাজ্যগুলিকে প্রান্তিক করে তুলতে পারে। তবে এই অভিযোগকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি দেশবাসীর উদ্দেশে প্রতিশ্রুতি দিয়ে জানিয়েছেন, ভারতের কোনো রাজ্যের প্রতিই কোনো অবিচার করা হবে না।
প্রতিনিধিত্ব বাড়ার আশ্বাস সরকারের
সংসদে বিতর্কের জবাবে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ জানান, আসন পুনর্বিন্যাসের মাধ্যমে দক্ষিণ ভারতের রাজ্যগুলির প্রতিনিধিত্ব কমার বদলে বরং তা বৃদ্ধি পাবে। তিনি তামিলনাড়ু, কেরালা, তেলেঙ্গানা ও অন্ধ্রপ্রদেশের সম্ভাব্য আসন বৃদ্ধির পরিসংখ্যান তুলে ধরেন। সরকার সূত্রে জানানো হয়েছে, আগামী দিনে লোকসভার মোট আসন সংখ্যা ৮৫০ পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে। তবে এই পরিসংখ্যান বা আসন বৃদ্ধির মাপকাঠি নিয়ে বিরোধীদের মধ্যে ধোঁয়াশা কাটেনি। জনতাত্ত্বিক কাঠামোর ভিত্তিতে আসন বিন্যাস করা হলে ভবিষ্যতে দেশের রাজনৈতিক মানচিত্রে বড় ধরনের পরিবর্তন আসার ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে।
এক ঝলকে
- সংসদের আসন্ন আসন পুনর্বিন্যাস প্রক্রিয়ায় দক্ষিণী রাজ্যগুলির গুরুত্ব কমে যাওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেছে বিরোধীরা।
- প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এই অভিযোগ নাকচ করে সব রাজ্যের সমান উন্নয়নে গুরুত্ব দেওয়ার ‘গ্যারান্টি’ দিয়েছেন।
- কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দাবি অনুযায়ী, আসন বৃদ্ধি করলে উত্তরপ্রদেশের পাশাপাশি দক্ষিণের রাজ্যগুলিরও আসন সংখ্যা বাড়বে।
- কেন্দ্র বর্তমানে লোকসভার আসন সংখ্যা ৮৫০-এ উন্নীত করার পরিকল্পনা করেছে।