পুরুলিয়ায় ধামাকা! সন্ধ্যারানি টুডুর সমর্থনে প্রচারে আসছেন হেমন্ত সোরেন

জঙ্গলমহলে তৃণমূলের প্রচারে ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন
শনিবার হাইভোল্টেজ নির্বাচনী প্রচারে জঙ্গলমহল মাতাতে আসছেন ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী তথা ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চার সুপ্রিমো হেমন্ত সোরেন। তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আমন্ত্রণে সাড়া দিয়ে তিনি পুরুলিয়া জেলা থেকে নিজের নির্বাচনী প্রচার শুরু করছেন। এদিন বান্দোয়ান, মানবাজার ও কাশীপুর—এই তিনটি বিধানসভা কেন্দ্রে তৃণমূল প্রার্থীদের সমর্থনে পৃথক তিনটি জনসভায় ভাষণ দেবেন তিনি। শোনা যাচ্ছে, হেমন্ত সোরেনের সঙ্গে তাঁর স্ত্রী কল্পনা সোরেনও এই প্রচার কর্মসূচিতে উপস্থিত থাকতে পারেন।
আদিবাসী ভোটব্যাংকে নজর ও রাজনৈতিক কৌশল
নির্বাচনী প্রচারের জন্য বেছে নেওয়া তিনটি বিধানসভাতেই আদিবাসী ভোটারের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য; এর মধ্যে বান্দোয়ান ও মানবাজার সংরক্ষিত আসন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রীর এই সফর মূলত তৃণমূলের এক সুচিন্তিত রণকৌশল। ঝাড়খণ্ডে বিজেপির ‘আচ্ছে দিন’-এর প্রতিশ্রুতি ব্যর্থ হওয়ার উদাহরণ তুলে ধরে আদিবাসী ভোটারদের কাছে বিজেপির রাজনৈতিক প্রচারের অসারতা প্রমাণ করাই এর মূল উদ্দেশ্য। তৃণমূলের দাবি, ঝাড়খণ্ডে বিজেপিকে হটিয়ে আঞ্চলিক দলের জয়লাভের বিষয়টি বাংলার জঙ্গলমহলের ভোটারদের মধ্যেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
পুরুলিয়ার এই তিনটি জনসভাকে ঘিরে স্থানীয় তৃণমূল স্তরে ব্যাপক উৎসাহ দেখা দিয়েছে। বান্দোয়ান, মানবাজার এবং কাশীপুরের প্রার্থীরা তাঁদের দলের শীর্ষ নেতৃত্বের এই সফরকে বাড়তি গুরত্ব দিচ্ছেন। ভোটের আগে এই হাইভোল্টেজ প্রচার জঙ্গলমহলের ভোট সমীকরণে কতটা প্রভাব ফেলে, এখন সেটাই দেখার বিষয়।
এক ঝলকে
- ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন শনিবার পুরুলিয়ার তিনটি বিধানসভা কেন্দ্রে তৃণমূল প্রার্থীদের হয়ে প্রচার করবেন।
- বান্দোয়ান, মানবাজার ও কাশীপুর—এই তিনটি আদিবাসী অধ্যুষিত এলাকায় সভার আয়োজন করা হয়েছে।
- ঝাড়খণ্ডে বিজেপির ব্যর্থতা ও ‘জুমলাবাজি’র বিষয়টি তুলে ধরার মাধ্যমে আদিবাসী ভোটারদের প্রভাবিত করাই এই প্রচারের মূল লক্ষ্য।
- তৃণমূল প্রার্থীর প্রচার মঞ্চে হেমন্ত সোরেনের উপস্থিতি জঙ্গলমহলের রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে আরও সরগরম করে তুলেছে।