সম্পর্ককে কলঙ্কিত করে বৌদির শ্লীলতাহানি, চাঞ্চল্যকর ঘটনায় অভিযুক্ত পলাতক

হরিয়ানার নূহের রোজকা মেভ থানা এলাকায় পারিবারিক সম্পর্কের পবিত্রতা নষ্ট করার এক ঘৃণ্য অভিযোগ সামনে এসেছে। এক গৃহবধূ তাঁর দেবরের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানি, ধর্ষণের চেষ্টা এবং প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার গুরুতর অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযুক্ত ব্যক্তি স্থানীয় এক প্রাক্তন ভারপ্রাপ্ত মহিলা সরপঞ্চের স্বামী হওয়ায় ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।
পরিবারের অসহায়তার সুযোগ
পুলিশের কাছে দেওয়া অভিযোগে নির্যাতিতা জানিয়েছেন, তাঁর স্বামী দীর্ঘ সময় ধরে পক্ষাঘাতে আক্রান্ত হয়ে শয্যাশায়ী। এই পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে অভিযুক্ত দেবর গত কয়েক মাস ধরে তাঁর ওপর কুনজর দিচ্ছিল। গভীর রাতে ফোনে অশালীন কথা বলা থেকে শুরু করে অনৈতিক শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনের জন্য প্রতিনিয়ত চাপ দেওয়া হতো বলে ওই গৃহবধূ অভিযোগ করেছেন। বারংবার নিষেধ করা সত্ত্বেও অভিযুক্ত তার আচরণ সংশোধন করেনি।
আকস্মিক হামলা ও শিশুদের উপস্থিতি
ঘটনার দিন গত ১৩ এপ্রিল নির্যাতিতা নিজের ঘরে বিশ্রাম নেওয়ার সময় অভিযুক্ত আচমকা ঘরে ঢুকে পড়ে এবং জোরপূর্বক শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনের চেষ্টা করে। নারী চিৎকার শুরু করলে তাকে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দেওয়া হয়। ঠিক সেই মুহূর্তেই ওই মহিলার সন্তানরা ঘরে ঢুকে পড়লে লোকলজ্জার ভয়ে অভিযুক্ত ব্যক্তি দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। বর্তমানে পুলিশ এই ঘটনার প্রেক্ষিতে একটি এফআইআর দায়ের করে তদন্ত শুরু করেছে।
নিরাপত্তাহীনতায় পরিবার
এই ঘটনায় নির্যাতিতা নারী নিজের ও সন্তানদের জীবনের নিরাপত্তা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। নূহের পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় তথ্যপ্রমাণ সংগ্রহ করা হচ্ছে এবং অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। উল্লেখ্য, এর আগে নূহের এই এলাকাতেই এক নার্সকে আটকে রেখে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছিল, যা নারী নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলছে।
এক ঝলকে
- হরিয়ানার নূহে শয্যাশায়ী দাদার অনুপস্থিতিতে ভ্রাতৃবধূকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ উঠল দেবরের বিরুদ্ধে।
- অভিযুক্ত ব্যক্তি স্থানীয় এক প্রভাবশালী প্রাক্তন সরপঞ্চের স্বামী বলে জানা গেছে।
- ঘটনার সময় আক্রান্তের সন্তানরা ঘরে চলে আসায় বড় বিপদের হাত থেকে রক্ষা পান ওই মহিলা।
- রোজকা মেভ থানার পুলিশ অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করেছে এবং অভিযুক্তের সন্ধানে তল্লাশি চালাচ্ছে।