এক পরিবারের করুণ পরিণতি, অসুস্থ সন্তানের কষ্টের কথা ভেবেই চরম পথ বেছে নিলেন বাবা-মা!

হরিয়ানার কুরুক্ষেত্রের প্রেম নগর কলোনিতে এক হৃদয়বিদারক ঘটনা প্রকাশ্যে এসেছে। সোমবার ভোরে একই ঘর থেকে রেলওয়ে মেল সার্ভিসের কর্মী ৩০ বছর বয়সী যতিন্দ্র কুমার, তাঁর স্ত্রী মঞ্জু (২৮) এবং তাঁদের তিন বছরের শিশু কন্যা আদবিকার ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করে পুলিশ। একটি সাজানো পরিবার নিমেষেই শেষ হয়ে যাওয়ার এই ঘটনায় গোটা এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
মানসিক অবসাদ ও চরম সিদ্ধান্ত
প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জানতে পেরেছে, দম্পতি তাঁদের একমাত্র সন্তানের দুরারোগ্য ব্যাধি নিয়ে দীর্ঘ দিন ধরে প্রচণ্ড মানসিক উদ্বেগের মধ্যে ছিলেন। চিকিৎসার পরও শিশুকন্যার শারীরিক অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় তাঁরা ভেঙে পড়েছিলেন। মেয়ের কষ্ট সহ্য করতে না পেরেই চরম হতাশায় প্রথমে তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন এবং পরে নিজেরাও আত্মঘাতী হন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
পুলিশি তৎপরতা ও তদন্ত
সোমবার সকালে সুভাষ মাণ্ডি পুলিশ ফাঁড়িতে খবর পৌঁছালে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেহগুলো উদ্ধার করা হয়। ময়নাতদন্তের জন্য মৃতদেহগুলো হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ বিষয়টি খতিয়ে দেখছে যে, এই আত্মহত্যার নেপথ্যে অন্য কোনো পারিপার্শ্বিক চাপ বা কারণ ছিল কি না। তবে এখন পর্যন্ত পরিবারের পক্ষ থেকে সন্তানের অসুস্থতাকেই মূল কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হচ্ছে।
এক ঝলকে
- হরিয়ানার কুরুক্ষেত্রে তিন বছরের মেয়েসহ দম্পতির রহস্যমৃত্যু।
- সন্তানের দীর্ঘস্থায়ী অসুস্থতা এবং চিকিৎসার ব্যর্থতা থেকে আসা হতাশা।
- রেলকর্মী যতিন্দ্র কুমার ও তাঁর স্ত্রী মঞ্জুর আত্মহত্যার আগে মেয়েকে খুনের অনুমান।
- পুলিশি তদন্ত জারি এবং ময়নাতদন্তের রিপোর্ট আসার অপেক্ষা।