মোদীর ভাষণ ঘিরে তুঙ্গে বিতর্ক, নির্বাচন কমিশনে নালিশ ৭০০ নাগরিক ও বামেদের

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ১৮ এপ্রিলের জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে প্রবল বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। সরকারি গণমাধ্যম ব্যবহার করে রাজনৈতিক প্রচার চালানো এবং বিরোধী পক্ষকে ব্যক্তিগত আক্রমণের অভিযোগ তুলে ৭০০-র বেশি সচেতন নাগরিক ও বামপন্থী দলগুলো নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছে। নির্বাচনের মুখে প্রধানমন্ত্রীর এই ধরনের বক্তব্যকে কেন্দ্র করে তৈরি হয়েছে বড়সড় আইনি ও নৈতিক প্রশ্ন।
আদর্শ আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ
কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গে এই ভাষণকে সরাসরি ‘আদর্শ আচরণবিধি লঙ্ঘন’ ও ‘গণতন্ত্রের অবমাননা’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। বিরোধীদের মতে, সরকারি মঞ্চ ও সম্পদ ব্যবহার করে দলীয় এজেন্ডা প্রচার করা সুস্থ নির্বাচনের পরিপন্থী। বিশেষ করে ভাষণে প্রধানমন্ত্রী ৫৯ বার কংগ্রেসের নাম উল্লেখ করে আক্রমণ করলেও দেশের গুরুত্বপূর্ণ জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট ইস্যুগুলো এড়িয়ে গেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
উপেক্ষিত জনগুরুত্বপূর্ণ সমস্যা
সমালোচকদের দাবি, দীর্ঘ ভাষণে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে তুলোধোনা করা হলেও নারী নিরাপত্তা বা কর্মসংস্থানের মতো জরুরি বিষয়গুলো যথাযথ গুরুত্ব পায়নি। নির্বাচনী প্রচারের মোড়কে প্রধানমন্ত্রীর এই ভাষণ আদতে ভোটারদের প্রভাবিত করার একটি কৌশল হিসেবেই দেখছে বিরোধী শিবির। নির্বাচন কমিশন এই অভিযোগের প্রেক্ষিতে কী ব্যবস্থা নেয়, এখন সেটাই দেখার বিষয়।
এক ঝলকে
- প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ১৮ এপ্রিলের ভাষণ নিয়ে ৭০০-র বেশি নাগরিক ও বাম দলগুলোর নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ।
- সরকারি গণমাধ্যম ব্যবহার করে রাজনৈতিক প্রচার ও আদর্শ আচরণবিধি লঙ্ঘনের দাবি জানিয়েছেন মল্লিকার্জুন খাড়্গে।
- ভাষণে ৫৯ বার কংগ্রেসের নাম উল্লেখ করলেও নারী ইস্যু ও মৌলিক সমস্যাগুলো উপেক্ষিত থাকার অভিযোগ।
- নির্বাচনী আবহে প্রধানমন্ত্রীর এই বক্তব্যকে গণতন্ত্রের অবমাননা হিসেবে দেখছে বিরোধী দলগুলো।