১১ বছরের নাবালককে গলা কেটে খুন, ড্রামে লুকানো দেহ!

১১ বছরের নাবালককে গলা কেটে খুন, ড্রামে লুকানো দেহ!

মধ্যপ্রদেশের সাতনা জেলার সিদ্ধার্থ নগর এলাকায় এক রোমহর্ষক হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। পঞ্চম শ্রেণীর ছাত্র শিবরাজ ওরফে বাদল রজককে নৃশংসভাবে গলা কেটে হত্যা করার পর তার মরদেহ একটি নীল রঙের প্লাস্টিকের ড্রামে লুকিয়ে রাখা হয়। সোমবার সন্ধ্যায় কাজ শেষে শিশুটির মা ও বড় ভাই বাড়ি ফিরে সদর দরজায় তালা লাগানো দেখে সন্দেহ প্রকাশ করেন। পরবর্তীতে পুলিশ এসে তালা ভেঙে ঘরের ভেতরে ড্রামের ভেতর থেকে বাদলের রক্তাক্ত নিথর দেহ উদ্ধার করে।

হত্যাকাণ্ডের কারণ ও পারিবারিক অভিযোগ

নিহত শিশুর দিদি সেজল রজক এই নৃশংস ঘটনার জন্য মথুরা নামের এক ব্যক্তিকে দায়ী করেছেন। অভিযোগ উঠেছে যে, ওই ব্যক্তি দীর্ঘ দিন ধরে তাদের মাকে জোরপূর্বক বিবাহের জন্য চাপ দিচ্ছিল। পরিবার এই প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় সে সন্তানদের মেরে ফেলার হুমকিও দিয়েছিল। পুলিশ ধারণা করছে, বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে অভিযুক্ত ব্যক্তি ঘরে ঢুকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে শিশুটির গলায় উপর্যুপরি আঘাত করে হত্যা নিশ্চিত করে এবং প্রমাণ লোপাটের উদ্দেশ্যে দেহটি ড্রামে ভরে পালিয়ে যায়।

পুলিশি তৎপরতা ও তদন্ত

ঘটনাস্থল থেকে ফরেনসিক দল ও আঙুলের ছাপ বিশেষজ্ঞরা আলামত সংগ্রহ করেছেন। হত্যার কাজে ব্যবহৃত একটি ধারালো অস্ত্র উদ্ধার করেছে পুলিশ। বর্তমানে অভিযুক্ত মথুরা পলাতক এবং তার মোবাইল ফোনটিও বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে। সাতনা জেলার পুলিশ সুপার শিবেশ সিং বাঘেল জানিয়েছেন, প্রাথমিক তদন্তে এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলেই মনে হচ্ছে। অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশের তিনটি বিশেষ দল গঠন করা হয়েছে এবং চিরুনি তল্লাশি চালানো হচ্ছে।

এক ঝলকে

  • মধ্যপ্রদেশের সাতনায় ১১ বছর বয়সী স্কুলছাত্রকে নৃশংসভাবে গলা কেটে খুন।
  • মরদেহটি ঘরের ভেতরে থাকা একটি নীল রঙের ড্রাম থেকে উদ্ধার করা হয়েছে।
  • বিয়ের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় মায়ের ওপর প্রতিশোধ নিতে এই হত্যাকাণ্ড বলে অভিযোগ।
  • পলাতক অভিযুক্তকে ধরতে পুলিশের তিনটি বিশেষ দল অভিযান চালাচ্ছে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *