বেতন বৃদ্ধির বড় খবর: ২৫% ডিএ মূল বেতনের সাথে যুক্ত করার জোরালো দাবি!

কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের জন্য অষ্টম বেতন কমিশনের কার্যক্রম গতি পাওয়ায় বড় ধরনের পরিবর্তনের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। ন্যাশনাল কাউন্সিল (জেসিএম) সম্প্রতি কমিশনের কাছে একটি স্মারকলিপি জমা দিয়েছে, যেখানে বেতন কাঠামো ও ভাতায় আমূল পরিবর্তনের দাবি জানানো হয়েছে। বর্তমানে মহার্ঘ ভাতা (ডিএ) ৬০ শতাংশে পৌঁছালেও কর্মীদের মূল দাবি হলো, এটি ২৫ শতাংশ অতিক্রম করলেই যেন মূল বেতনের সঙ্গে একীভূত করা হয়।
বেতন ও ভাতায় বৈপ্লবিক পরিবর্তনের প্রস্তাব
কর্মচারী সংগঠনগুলোর অন্যতম প্রধান দাবি হলো বাড়ি ভাড়া ভাতা (এইচআরএ) বৃদ্ধি। বড় শহরগুলোর ক্ষেত্রে মূল বেতনের ৪০ শতাংশ পর্যন্ত এইচআরএ দাবি করা হয়েছে। এছাড়া ট্রান্সপোর্ট, নার্সিং এবং ড্রেস অ্যালাউন্সসহ অন্যান্য ভাতার পরিমাণ তিন গুণ বাড়ানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। স্মারকলিপিতে বলা হয়েছে, দ্রব্যমূল্যের বর্তমান বাজারদর অনুযায়ী এই সমন্বয় জরুরি হয়ে পড়েছে।
বাজারদরের সঙ্গে সামঞ্জস্য ও নতুন হিসাব পদ্ধতি
সংগঠনগুলো দাবি করেছে যে, ১২ মাসের গড় হিসাবের পরিবর্তে প্রতি ৬ মাসের ভিত্তিতে মূল্যস্ফীতি বিবেচনা করে ডিএ নির্ধারণ করা হোক। তাদের মতে, সরকারি দরের চেয়ে খোলা বাজারের প্রকৃত দামের ওপর ভিত্তি করে বেতন কাঠামো সাজানো উচিত। যদি ২৫ শতাংশ ডিএ মূল বেতনের সঙ্গে মিশিয়ে দেওয়া হয়, তবে গ্র্যাচুইটি ও অবসরের অন্যান্য সুবিধাও উল্লেখযোগ্য হারে বাড়বে।
প্রভাব ও প্রত্যাশা
এই দাবিগুলো বাস্তবায়িত হলে সরকারি কর্মীদের জীবনযাত্রার মান উন্নত হওয়ার পাশাপাশি রাষ্ট্রীয় কোষাগারে বড় ধরনের প্রভাব পড়বে। বিশেষ করে বাড়ি ভাড়া ও যাতায়াত ভাতার প্রস্তাবিত বৃদ্ধি কর্মীদের আর্থিক সংগতি বাড়াতে সহায়ক হবে। এখন দেখার বিষয়, অষ্টম বেতন কমিশন এসব দাবির কতটুকু সুপারিশ করে এবং সরকার শেষ পর্যন্ত তা কতটা গ্রহণ করে।
এক ঝলকে
- ডিএ ২৫ শতাংশ অতিক্রম করলেই তা মূল বেতনের সঙ্গে যোগ করার প্রস্তাব।
- বাড়ি ভাড়া ভাতা (এইচআরএ) ৪০ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধির দাবি।
- যাতায়াত ও পোশাক ভাতাসহ অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা ৩ গুণ বাড়ানোর আবেদন।
- ১২ মাসের পরিবর্তে প্রতি ৬ মাসের গড় মূল্যস্ফীতির ভিত্তিতে ডিএ নির্ধারণের দাবি।