শ্রীদেবীর মৃত্যু কি তবে পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড, বিস্ফোরক দাবি প্যারানর্মাল ইনভেস্টিগেটরের!

ভারতীয় চলচ্চিত্রের প্রবাদপ্রতিম অভিনেত্রী শ্রীদেবীর আকস্মিক মৃত্যু আজও এক অমীমাংসিত রহস্য হিসেবে ভক্তদের মনে রয়ে গেছে। ২০১৮ সালে দুবাইয়ের একটি হোটেলের বাথটাব থেকে উদ্ধার করা হয় তার মরদেহ। প্রাথমিক তদন্তে দুবাই পুলিশ এটিকে ‘দুর্ঘটনাজনিত মৃত্যু’ বলে ঘোষণা করলেও সম্প্রতি সৌরভ পুনিয়া নামে এক প্যারানর্মাল ইনভেস্টিগেটরের দাবি বিনোদন জগতে নতুন করে চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে। তিনি দাবি করেছেন যে, বিশেষ প্রযুক্তির মাধ্যমে তিনি মৃত অভিনেত্রীর আত্মার সাথে যোগাযোগ করতে সক্ষম হয়েছেন এবং সেই কথোপকথনে উঠে এসেছে এক ভয়ংকর তথ্য।
মৃত্যুর পেছনে পারিবারিক যোগসাজশ?
ইনভেস্টিগেটর সৌরভ পুনিয়ার দাবি অনুযায়ী, শ্রীদেবীর আত্মা তাকে জানিয়েছেন যে তার মৃত্যুর পেছনে স্বামী বনি কাপুরের হাত ছিল। সৌরভ জানান, তিনি যখন আত্মার কাছে জানতে চেয়েছিলেন তাকে কেউ আঘাত করে বাথটাবের জলে ডুবিয়ে মেরেছে কি না, তখন উত্তরের বদলে ‘বনি কাপুর’ নামটি স্পষ্টভাবে উঠে আসে। এই চাঞ্চল্যকর দাবির সপক্ষে তার কাছে অডিও রেকর্ড রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেছেন। যদিও সাধারণ যুক্তিতে মৃত আত্মার সাথে কথা বলার বিষয়টি সম্পূর্ণ অবৈজ্ঞানিক, তবুও সোশ্যাল মিডিয়ায় এই বয়ান দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে।
রহস্য ও আইনি জটিলতা
দুবাই পুলিশের ময়নাতদন্তের রিপোর্ট অনুযায়ী, শ্রীদেবী মদ্যপ অবস্থায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাথটাবের জলে ডুবে মারা যান। তবে একজন সফল অভিনেত্রী ও অভিজ্ঞ ব্যক্তিত্বের এমন আকস্মিক প্রস্থান মেনে নিতে পারেনি সাধারণ মানুষ। এই প্যারানর্মাল ইনভেস্টিগেটরের দাবি যদি সত্যের ধারেকাছেও হয়, তবে তা বনি কাপুর এবং কাপুর পরিবারের জন্য আইনি ও সামাজিক বিড়ম্বনা তৈরি করতে পারে। তবে কোনো আইনি সংস্থা বা ফরেনসিক বিভাগ এই অলৌকিক দাবিকে স্বীকৃতি দেয়নি।
এক ঝলকে
২০১৮ সালে দুবাইয়ের হোটেলে বাথটাব থেকে শ্রীদেবীর নিথর দেহ উদ্ধার করা হয়েছিল।
প্যারানর্মাল ইনভেস্টিগেটর সৌরভ পুনিয়া শ্রীদেবীর আত্মার সাথে কথা বলার দাবি করেছেন।
ইনভেস্টিগেটরের দাবি অনুযায়ী, মৃত্যুর জন্য সরাসরি বনি কাপুরকে দায়ী করেছে ওই আত্মা।
সৌরভের কাছে এই কথোপকথনের অডিও রেকর্ড রয়েছে বলে তিনি চাঞ্চল্যকর তথ্য দিয়েছেন।