জার্মানিতে গুরুদ্বারের ভেতর রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ, তলোয়ার ও মরিচের স্প্রেতে আহত ১১

জার্মানির মোর্স শহরের ডুইসবার্গ এলাকায় একটি শিখ গুরুদ্বারের অভ্যন্তরে দুই পক্ষের মধ্যে ভয়াবহ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সোমবারের এই সহিংসতায় ধারালো অস্ত্র, তলোয়ার (কৃপাণ), মরিচের স্প্রে এবং এমনকি আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহারের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এই নজিরবিহীন হাতাহাতি ও হামলায় অন্তত ১১ জন আহত হয়েছেন বলে স্থানীয় পুলিশ ও আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম নিশ্চিত করেছে।
বিরোধের মূলে ক্ষমতার দখল ও অর্থ
প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, গুরুদ্বারের পরিচালনা পর্ষদ বা বোর্ড অব ডিরেক্টর্স নির্বাচন এবং মন্দিরের তহবিলের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধ থেকে এই সংঘর্ষের সূত্রপাত। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে অসন্তুষ্ট সাবেক ব্যবস্থাপনা কমিটি বর্তমান কমিটির ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এতে ধর্মীয় পবিত্রতা নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি উপাসনালয়ের ভেতর চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং উপস্থিত ভক্তরা প্রাণভয়ে দিকবিদিক ছোটাছুটি শুরু করেন।
পুলিশি তৎপরতা ও বর্তমান পরিস্থিতি
সহিংসতা নিয়ন্ত্রণে জার্মান পুলিশ বিশেষ কৌশলগত ইউনিট মোতায়েন করে এবং ঘটনাস্থল থেকে অন্তত ৪০ জনকে শনাক্ত করা হয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, হামলাকারীরা পরিকল্পিতভাবে প্রথমে মরিচের স্প্রে ব্যবহার করে প্রতিপক্ষকে কাবু করে এবং পরবর্তীতে গুলি ছোঁড়ে। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে গুলির খোসা উদ্ধার করেছে, তবে ব্যবহৃত পিস্তলটি ‘ব্ল্যাঙ্ক-ফায়ারিং’ ছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে। বর্তমানে অপরাধ তদন্ত বিভাগ পুরো ঘটনাটি খতিয়ে দেখছে এবং বেশ কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে।
🤯🇩🇪 Shocking scenes from Gurdwara Duisburg, Germany:
— Allen Hampton (@Hamp_Allen) April 20, 2026
Sikhs fighting inside sacred space, turbans flying, kirpans drawn on each other over Golak money, and a forced takeover by the previous management, who lost the election.
This violence isn't random. It's the direct result of… pic.twitter.com/47h4lni6w1
এক ঝলকে
- জার্মানির ডুইসবার্গের একটি গুরুদ্বারে পর্ষদ গঠন ও অর্থ নিয়ে দুই পক্ষের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ।
- তলোয়ার ও মরিচের স্প্রে ব্যবহারে অন্তত ১১ জন আহত, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিশেষ পুলিশ মোতায়েন।
- নির্বাচনে পরাজিত সাবেক কমিটির বিরুদ্ধে বর্তমান পর্ষদের ওপর পরিকল্পিত হামলার অভিযোগ।
- তদন্তে গুলির খোসা উদ্ধার হলেও বড় ধরনের প্রাণহানি এড়ানো সম্ভব হয়েছে।