পরকীয়ার চরম পরিণতি! স্বামীর সামনেই দেওরের গলায় মালা দিতে চাইলেন গৃহবধূ, তাজ্জব পুলিশ

পরকীয়ার চরম পরিণতি! স্বামীর সামনেই দেওরের গলায় মালা দিতে চাইলেন গৃহবধূ, তাজ্জব পুলিশ

উত্তরপ্রদেশের মহারাজগঞ্জ জেলার শ্যামদেউরওয়া এলাকায় পারিবারিক সম্পর্কের এক নজিরবিহীন ও চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে। এক গৃহবধূ তার স্বামীর আপন ছোট ভাইয়ের (দেবর) সঙ্গে পরকীয়ায় লিপ্ত হয়ে শেষ পর্যন্ত ঘর ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। দীর্ঘদিনের গোপন প্রণয় প্রকাশ্যে আসায় এবং স্বামীর অমতে দেবরের সঙ্গে ঘর বাঁধার জেদ করায় স্থানীয় এলাকায় ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

ঘটনার সূত্রপাত ও পারিবারিক বিবাদ

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিয়ের কিছু সময় পরেই ওই নারী তার দেবরের প্রতি আকৃষ্ট হয়ে পড়েন। সময়ের সাথে সাথে তাদের সম্পর্ক গভীর হয়, যা একপর্যায়ে জানাজানি হয়ে গেলে সংসারে অশান্তি শুরু হয়। স্বামী বিষয়টি বুঝতে পেরে বাধা দিলে উভয়ের মধ্যে বিবাদ চরম আকার ধারণ করে। একপর্যায়ে ওই নারী স্বামীর ঘর ছেড়ে বাবার বাড়িতে চলে যান এবং স্পষ্ট জানিয়ে দেন যে তিনি দেবরের সাথেই জীবন কাটাতে চান।

থানায় নাটকীয় পরিস্থিতি ও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ স্বামী, স্ত্রী এবং দেবরকে থানায় তলব করে। পুলিশের পক্ষ থেকে সংসার বাঁচানোর জন্য ওই নারীকে অনেক বোঝানোর চেষ্টা করা হলেও তিনি তার সিদ্ধান্তে অনড় থাকেন। তিনি স্বামীর বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগ তোলেন এবং জানান যে তিনি তার দেবরের সঙ্গেই বাকি জীবন কাটাতে চান। পরিবারের সদস্যদের দীর্ঘ অনুরোধ সত্ত্বেও কোনো কাজ না হওয়ায় শেষ পর্যন্ত ওই নারী তার দেবরের সাথেই চলে যান।

এই ঘটনার ফলে একটি সাজানো সংসার ভেঙে গেছে এবং সামাজিক মূল্যবোধের অবক্ষয় নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। আইনি জটিলতা এড়াতে পুলিশ বিষয়টিতে হস্তক্ষেপ করলেও সম্পর্কের টানাপোড়েনের কাছে হার মানতে হয়েছে সামাজিক প্রথাকে।

এক ঝলকে

  • উত্তরপ্রদেশের মহারাজগঞ্জে স্বামী ও সন্তান থাকা সত্ত্বেও দেবর-ভাবির পরকীয়া সম্পর্কের জেরে সংসার ভাঙল।
  • স্বামী বাধা দেওয়ায় ওই নারী বাপের বাড়িতে চলে যান এবং দেবরের সাথে থাকার জেদ ধরেন।
  • পুলিশ থানায় উভয় পক্ষকে নিয়ে সমঝোতার চেষ্টা করলেও নারী তার প্রেমিকের সাথে থাকার সিদ্ধান্তে অনড় থাকেন।
  • শেষ পর্যন্ত সামাজিক ও পারিবারিক বাধা উপেক্ষা করে দেবর ও ভাবি একসাথে ঘর বাঁধার সিদ্ধান্ত নেন।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *