‘স্বামী বাড়িতে ছিলেন না, তখন রাহুল আমার সঙ্গেও…’, আইআরএস অফিসারের মেয়ের খুনের মামলায় ফাঁস করল পাষণ্ডের কুকীর্তি!

‘স্বামী বাড়িতে ছিলেন না, তখন রাহুল আমার সঙ্গেও…’, আইআরএস অফিসারের মেয়ের খুনের মামলায় ফাঁস করল পাষণ্ডের কুকীর্তি!

দিল্লিতে আইআরএস কর্মকর্তার ২২ বছর বয়সী কন্যাকে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় মূল অভিযুক্ত রাহুল मीणाকে ঘিরে বেরিয়ে আসছে একের পর এক হাড়হিম করা তথ্য। তদন্তে জানা গেছে, দিল্লিতে এই নৃশংস হত্যাকাণ্ড ঘটানোর মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগেই রাজস্থানের অলওয়ারে নিজের বন্ধুর স্ত্রীকে ধর্ষণ করেছিল এই যুবক। অনলাইন গেমিং ও জুয়ায় আসক্ত রাহুল ঋণের জালে জর্জরিত হয়ে অপরাধের এক ভয়াবহ পথ বেছে নেয় বলে ধারণা করছে পুলিশ।

বন্ধুর বিশ্বাসভঙ্গ ও প্রথম অপরাধ

ঘটনার সূত্রপাত মঙ্গলবার রাতে অলওয়ারে, যেখানে রাহুল তার এক ঘনিষ্ঠ বন্ধুর বাড়িতে যায়। বিয়ের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গিয়ে স্বামী বাড়িতে না থাকার সুযোগ নিয়ে রাহুল ওই গৃহবধূকে ধর্ষণ করে। সেই রাতেই সে অলওয়ার থেকে পালিয়ে দিল্লি চলে আসে। বুধবার সকালে যখন আইআরএস কর্মকর্তা ও তাঁর স্ত্রী জিমে গিয়েছিলেন, তখন আগে থেকে চুরি করা গোপন চাবি দিয়ে ঘরে ঢোকে রাহুল। সেখানে একা পেয়ে ওই তরুণীকে পাশবিক নির্যাতনের পর হত্যা করে সে।

পেশাদার অপরাধীর মানসিকতা ও গ্রেফতার

পুলিশি তদন্তে উঠে এসেছে যে, রাহুল আগে ওই কর্মকর্তার বাড়িতেই কাজ করত কিন্তু অর্থ আত্মসাতের দায়ে তাকে দেড় মাস আগে বরখাস্ত করা হয়েছিল। অনলাইন গেমিংয়ের নেশায় বিপুল পরিমাণ অর্থ জোগাড় করতেই সে এই প্রতিশোধ ও লুটের পরিকল্পনা করেছিল বলে অনুমান করা হচ্ছে। ১৫টি বিশেষ দল গঠন করে দিল্লি পুলিশ তাকে দ্বারকার একটি হোটেল থেকে গ্রেফতার করে। বর্তমানে রাজস্থান ও দিল্লি—উভয় রাজ্যের পুলিশই তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে তদন্ত শুরু করেছে।

এক ঝলকে

  • অভিযুক্ত রাহুল দিল্লিতে হত্যাকাণ্ডের আগের রাতে অলওয়ারে বন্ধুর স্ত্রীকে ধর্ষণ করে।
  • অনলাইন গেমিংয়ের ঋণ মেটাতে ও পুরোনো আক্রোশ থেকে আইআরএস কর্মকর্তার মেয়ের ওপর হামলা চালায় সে।
  • কাজ থেকে বরখাস্ত হওয়ার পর ঘরের ডুপ্লিকেট চাবি ব্যবহার করে সে অপরাধস্থলে প্রবেশ করেছিল।
  • রাজস্থান ও দিল্লি পুলিশ সম্মিলিতভাবে এই ধারাবাহিক অপরাধের তদন্ত চালাচ্ছে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *