ভাঁজ না করে বা না ছিঁড়ে ১০০ টাকার নোটকে অর্ধেক করবেন কীভাবে? UPSC-র এই ধাঁধায় কুপোকাত অনেকেই!

দেশের সবচেয়ে কঠিন পরীক্ষা হিসেবে পরিচিত ইউনিয়ন পাবলিক সার্ভিস কমিশন বা ইউপিএসসিতে মাঝে মাঝেই এমন কিছু প্রশ্ন করা হয়, যা আবেদনকারীর মেধা নয় বরং উপস্থিত বুদ্ধি ও যৌক্তিক চিন্তাভাবনা যাচাই করে। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া এমনই একটি প্রশ্ন হলো— “একটি ১০০ টাকার নোট না ছিঁড়ে এবং ভাঁজ না করে কীভাবে অর্ধেক করা সম্ভব?” আপাতদৃষ্টিতে এটি আসাম্ভব মনে হলেও এর উত্তর লুকিয়ে আছে প্রথাগত চিন্তার বাইরে গিয়ে ভাবার কৌশলে।
বুদ্ধিবৃত্তিক উত্তরের নেপথ্যে
এই ধাঁধার সমাধান আসলে নোটটির ভৌত কাঠামোর মধ্যে নেই, বরং লুকিয়ে আছে এর মূল্যের মধ্যে। নোটটিকে মাঝখান থেকে না ছিঁড়ে বা ভাঁজ না করে সেটির অর্ধেকের সমান করা মানে হলো এর সমমূল্যের খুচরো করা। অর্থাৎ, ১০০ টাকার একটি নোটের বদলে যদি দুটি ৫০ টাকার নোট নেওয়া হয়, তবেই নোটটি না ছিঁড়েই তার অর্ধেক মান পাওয়া সম্ভব। এই ধরনের প্রশ্ন ইন্টারভিউ বোর্ডে প্রার্থীর মানসিক ভারসাম্য এবং জটিল পরিস্থিতিতে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা পরখ করতে ব্যবহৃত হয়।
প্রভাব ও সার্থকতা
এমন সৃজনশীল প্রশ্নের মূল উদ্দেশ্য হলো মুখস্থ বিদ্যার বাইরে গিয়ে প্রার্থীর বিশ্লেষণধর্মী দৃষ্টিভঙ্গি পরীক্ষা করা। প্রশাসনিক ক্ষেত্রে কর্মকর্তাদের প্রায়ই এমন সব সমস্যার সম্মুখীন হতে হয় যেখানে সরাসরি কোনো সমাধান থাকে না। এই ধাঁধাটি প্রমাণ করে যে, যেকোনো কঠিন সমস্যার সমাধান যদি প্রচলিত পথে না মেলে, তবে দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তন করলে খুব সহজেই তা সমাধান করা সম্ভব।
এক ঝলকে
- ইউপিএসসি ইন্টারভিউতে প্রার্থীর উপস্থিত বুদ্ধি যাচাইয়ের জন্য ‘১০০ টাকার নোটের’ অদ্ভুত ধাঁধাটি ব্যবহার করা হয়।
- নোটটি না ছিঁড়ে বা না মুড়িয়ে অর্ধেক করার উপায় হলো সেটিকে সমমূল্যের দুটি ৫০ টাকার নোটে রূপান্তর করা।
- এই প্রশ্নের মাধ্যমে মূলত প্রার্থীর প্রখর কাণ্ডজ্ঞান ও আউট-অফ-দ্য-বক্স চিন্তার ক্ষমতা পরীক্ষা করা হয়।
- সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এই কৌশলী উত্তরটি বর্তমানে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করেছে।