নীতি আয়োগে বাংলার জোড়া ধামাকা! ভাইস চেয়ারম্যান পদে অশোক লাহিড়ী, বড় দায়িত্বে বিজ্ঞানী গোবর্ধন দাস

নীতি আয়োগে বাংলার জোড়া ধামাকা! ভাইস চেয়ারম্যান পদে অশোক লাহিড়ী, বড় দায়িত্বে বিজ্ঞানী গোবর্ধন দাস

কেন্দ্রীয় সরকারের নীতি নির্ধারণী প্রতিষ্ঠান নীতি আয়োগে বড় ধরনের রদবদল ঘটিয়ে চমক দিল মোদী সরকার। এই পুনর্গঠনে বাংলার দুই কৃতি ব্যক্তিত্ব অশোক লাহিড়ী এবং গোবর্ধন দাস গুরুত্বপূর্ণ পদে স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন। বালুরঘাটের বিদায়ী বিধায়ক ও বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ অশোক লাহিড়ীকে নীতি আয়োগের ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে। অন্যদিকে, প্রথিতযশা বিজ্ঞানী অধ্যাপক গোবর্ধন দাসকে এই প্রতিষ্ঠানের সদস্য মনোনীত করা হয়েছে। এই রদবদলের মাধ্যমে জাতীয় স্তরে প্রশাসনিক ও নীতিগত সিদ্ধান্তে বাংলার প্রতিনিধিত্ব এক লাফে অনেকটা বৃদ্ধি পেল।

জাতীয় উন্নয়নে অভিজ্ঞতার সমন্বয়

নির্বাচনী রাজনীতি থেকে সরিয়ে অশোক লাহিড়ীর মতো অভিজ্ঞ অর্থনীতিবিদকে নীতি আয়োগের শীর্ষ পদে বসানো অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহল। দীর্ঘ সময় ধরে ভারতের আর্থিক সংস্কার ও নীতি নির্ধারণে তাঁর ভূমিকা অনস্বীকার্য। একইভাবে, বিজ্ঞানী গোবর্ধন দাসের মেধা ও অভিজ্ঞতাকে জাতীয় স্বার্থে কাজে লাগাতে চাইছে কেন্দ্র। জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের এই অধ্যাপক এর আগে নির্বাচনী লড়াইয়ে সফল না হলেও, গবেষণামূলক ও তাত্ত্বিক ক্ষেত্রে তাঁর দক্ষতা এবার সরকারি প্রকল্পের উদ্ভাবনী ভাবনায় নতুন মাত্রা যোগ করবে।

সহযোগিতামূলক যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোয় জোর

এই রদবদল নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এক বার্তায় নবনিযুক্তদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেছেন যে, নীতি আয়োগ বর্তমান ভারতের নীতি কাঠামোর একটি অত্যাবশ্যক স্তম্ভে পরিণত হয়েছে। কেন্দ্র ও রাজ্যের মধ্যে সমন্বয় সাধন, দীর্ঘমেয়াদী সংস্কার বাস্তবায়ন এবং সাধারণ মানুষের ‘ইজ অফ লিভিং’ বা জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে এই প্রতিষ্ঠানটি গতিশীল প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করছে। নতুন এই বোর্ড গঠনের ফলে দেশের কৌশলগত পরিকল্পনা ও উদ্ভাবনী চিন্তাধারায় আরও গতি আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এক ঝলকে

  • নীতি আয়োগের নতুন ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে নিযুক্ত হলেন প্রবীণ অর্থনীতিবিদ অশোক লাহিড়ী।
  • বোর্ডের নতুন সদস্য হিসেবে জায়গা পেয়েছেন বিশিষ্ট বিজ্ঞানী অধ্যাপক গোবর্ধন দাস।
  • এই পুনর্গঠনে রাজীব গৌবা, অভয় করণ্ডীকার এবং এম. শ্রীনিবাসের মতো ব্যক্তিত্বরাও গুরুত্বপূর্ণ পদ পেয়েছেন।
  • নির্বাচনী রাজনীতির পরিবর্তে প্রশাসনিক ও নীতিগত বড় দায়িত্বে অভিজ্ঞদের ফিরিয়ে আনাই কেন্দ্রের মূল লক্ষ্য।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *