“এটা টেকনিক্যাল নয়, দিল্লি ফল্ট!” স্ট্রংরুমের সিসিটিভি বন্ধ হওয়া নিয়ে বিজেপি-কমিশনকে তুলোধনা বাইরনের

জঙ্গিপুরে ভোট পরবর্তী নিরাপত্তা নিয়ে তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়েছে। গত শুক্রবার রাত থেকে পলিটেকনিক কলেজে অবস্থিত ইভিএম স্ট্রং রুমের সিসিটিভি ক্যামেরা দফায় দফায় বন্ধ হয়ে যাওয়ার ঘটনায় নির্বাচন কমিশন ও বিজেপির বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ তুলেছেন তৃণমূল প্রার্থী বাইরন বিশ্বাস। তাঁর দাবি, এটি কোনো সাধারণ যান্ত্রিক গোলযোগ নয়, বরং পরিকল্পিত হস্তক্ষেপ।
ষড়যন্ত্রের অভিযোগ ও দিল্লি ফল্ট
তৃণমূল শিবিরের দাবি অনুযায়ী, ২৩ তারিখ ভোট শেষ হওয়ার পর থেকেই স্ট্রং রুমের ওপর কড়া নজরদারি রাখা হচ্ছিল। শুক্রবার গভীর রাতে হঠাৎই সিসিটিভি সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছান বাইরন বিশ্বাস। এই ঘটনাকে ‘টেকনিক্যাল ফল্ট’ মানতে নারাজ তিনি। সরাসরি কেন্দ্রীয় সরকারের দিকে আঙুল তুলে একে ‘দিল্লি ফল্ট’ বলে আখ্যা দিয়েছেন এই নেতা। তাঁর অভিযোগ, প্রথম দফার ভোটে বিজেপি নিজেদের পরাজয় আঁচ করতে পেরেই স্ট্রং রুম দখলের নীল নকশা তৈরি করছে।
নিরাপত্তা নিয়ে সংশয়
ঘটনার সময় নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের সঙ্গে তৃণমূল প্রার্থীর বচসা বাঁধে। বাইরনের অভিযোগ, প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রথমে জানানো হয়েছিল যে সকালে ছাড়া ত্রুটি সারানো সম্ভব নয়, কিন্তু চাপের মুখে তা দ্রুত ঠিক করা হয়। তবে পুনরায় ক্যামেরা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। ক্ষুব্ধ বাইরন বিশ্বাস আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন যে, এই পরিস্থিতিতে মুর্শিদাবাদের চারটি আসনেই তৃণমূল প্রার্থীদের ফলাফল প্রভাবিত হতে পারে। এমনকি বাংলায় ভোটের প্রাসঙ্গিকতা নিয়েও তিনি ক্ষোভ উগরে দেন।
এক ঝলকে
- জঙ্গিপুরে স্ট্রং রুমের সিসিটিভি ক্যামেরা দফায় দফায় বন্ধ হওয়াকে কেন্দ্র করে তীব্র রাজনৈতিক উত্তেজনা।
- তৃণমূল প্রার্থী বাইরন বিশ্বাসের অভিযোগ, এই ঘটনা স্রেফ যান্ত্রিক ত্রুটি নয় বরং বিজেপির পূর্বপরিকল্পিত ষড়যন্ত্র।
- প্রশাসনিক তৎপরতায় সাময়িকভাবে ক্যামেরা সচল হলেও বারবার সংযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ায় নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন।
- এই ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে নিজের জয় ও জেলার বাকি প্রার্থীদের জয় নিয়ে অনিশ্চয়তা প্রকাশ করেছেন বাইরন।