‘৪ মে মোদীজিকে বর্ধমানের মিহিদানা ও সীতাভোগ খাওয়াব’, জয়ের হুঙ্কার অমিত শাহের!

‘৪ মে মোদীজিকে বর্ধমানের মিহিদানা ও সীতাভোগ খাওয়াব’, জয়ের হুঙ্কার অমিত শাহের!

একুশের বিধানসভা নির্বাচনে বাংলার মসনদ দখলে মরিয়া চেষ্টা চালালেও পূর্ব বর্ধমান জেলায় খাতা খুলতে পারেনি ভারতীয় জনতা পার্টি। জেলার ১৬টি আসনের সবকটিতেই পরাজিত হতে হয়েছিল গেরুয়া শিবিরকে। তবে অতীতের সেই ‘শূন্যের গেরো’ কাটিয়ে এবার জয়ের বিষয়ে প্রবল আত্মবিশ্বাসী কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। শনিবার জামালপুরের জনসভা থেকে তিনি সাফ জানিয়ে দিলেন, আগামী ৪ মে বর্ধমানের বিখ্যাত মিহিদানা ও সীতাভোগ খাইয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে স্বাগত জানাবেন তিনি।

বিজয়োল্লাসের আগাম প্রস্তুতি ও রাজনৈতিক বার্তা

রাজনৈতিক মহলের মতে, অমিত শাহের এই মন্তব্যের নেপথ্যে রয়েছে নিপুণ রণকৌশল। পূর্ব বর্ধমানে গতবারের পরাজয় ভুলে দলীয় কর্মীদের মনোবল চাঙ্গা করতেই তিনি মিষ্টিমুখ করানোর এই প্রসঙ্গটি টেনে এনেছেন। শাহের এই ঘোষণা স্পষ্ট করে দিচ্ছে যে, বর্ধমানের দুর্গ জয় করা এবার বিজেপির অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। জনসভা থেকে তিনি কেবল জয়ের দাবিই করেননি, বরং ৪ মে-র দিনটিকে বিজয় উৎসবের দিন হিসেবেও কার্যত চিহ্নিত করে দিয়েছেন।

নাগরিকত্ব ইস্যুতে বড় ঘোষণা

এদিন জামালপুরের মঞ্চ থেকে কেবল জয়ের বার্তা দিয়েই ক্ষান্ত হননি শাহ, মতুয়া ভোটারদের উদ্দেশ্যে দিয়েছেন বিশেষ প্রতিশ্রুতি। তিনি স্পষ্ট জানান, ৫ মে-র পর থেকেই সমস্ত মতুয়ারা ভারতের নাগরিকত্ব পাবেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের ধারণা, সিএএ বা নাগরিকত্ব ইস্যুকে হাতিয়ার করে মতুয়া ও উদ্বাস্তু ভোটব্যাঙ্ক সংহত করাই শাহের মূল লক্ষ্য। নাগরিকত্বের এই প্রতিশ্রুতি জেলার নির্বাচনী সমীকরণ বদলে দিতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

এক ঝলকে

  • পূর্ব বর্ধমানের নির্বাচনী লড়াইয়ে জয় নিয়ে প্রবল আত্মবিশ্বাস প্রকাশ করলেন অমিত শাহ।
  • ৪ মে বর্ধমানের মিহিদানা ও সীতাভোগ দিয়ে মোদির মিষ্টিমুখ করানোর অঙ্গীকার করেছেন তিনি।
  • গত নির্বাচনে এই জেলার ১৬টি আসনের সবকটিতেই পরাজিত হয়েছিল বিজেপি।
  • ৫ মে-র পর থেকে মতুয়াদের নাগরিকত্ব দেওয়ার বড় ঘোষণা করেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *